রাস্তায় ঘুরছে ‘ভূত’, লকডাউন ভাঙলেই ঝাঁপাচ্ছে ঘাড়ে, ভয়ে ঘরবন্দি ইন্দোনেশিয়ার গ্রাম

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাইরাস নয়, ভূতের ভয়ে ঘরবন্দি ইন্দোনেশিয়ার গ্রাম কেপু।

করোনাভাইরাসের ব্যাপারে হাজার সতর্কতামূলক প্রচার করেও কাজ হচ্ছিল না। প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছিল রাস্তায় ঘোরাফেরা, আড্ডা, জটলা করে কেনাকাটা, ইত্যাদি প্রভৃতি। এরপরই জাভা দ্বীপের গ্রামে মানুষকে ঘরবন্দি রাখতে রাস্তায় ভূত ছেড়ে দেয় প্রশাসন। আর তাতেই ফল মিলেছে হাতেনাতে।

একদিন রাতে অপারেশনে নামে ভূতের দল। রাস্তায় মানুষ দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়তে শুরু করে ঘাড়ের উপর। তাদের চেহারই এমন যে দেখলেই ভয় পাবে যে কেউ। যে কচিকাঁচার দল মোটেই ঘরে থাকতে চাইছিল না তারাও এখন ভয়ে সিঁটিয়ে।

ইন্দোনেশিয়ার এই গ্রামের মানুষ ভূতকে পোকং বলে। তাঁদের কল্পনায় পোকং মানেই সাদা পোশাক পরা ভূত। সেই ভাবেই সাজিয়েগুছিয়ে পোকংবাহিনীকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। এই ঘটনার ফলে চাপও বেড়েছে প্রশাসনের উপর। সাধারণ জিনিস কেনার হলেও লোকজন বাড়ি থেকে না বেরিয়ে তাঁদের খবর দিচ্ছেন। কারণ রাস্তায় বেরোলেই ঘাড় মটকে দিতে পারে পোকং।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো বলেছেন, লকডাউনের ফলেই সংক্রমণ কমেছে ইন্দোনেশিয়ায়। নাহলে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। এখনও পর্যন্ত সেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ২৪১ জন। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৭৩ জনের।

সোমবার সকালে উত্তরপ্রদেশের রাস্তায় যমরাজকে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল। কালো-সোনালি পোশাক আর মস্ত বড় গোঁফ নিয়ে যিনি মাইকে বলছিলেন, “আমিও যমরাজ। আমিই করোনা ভাইরাস। রাস্তায় বেরোলেই নরকে নিয়ে গিয়ে লকডাউন করে দেব।” এবার ইন্দোনেশিয়ায় দেখা গেল লকডাউনে রাস্তায় টহল দিচ্ছে ভূত।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More