যুবকের কঙ্কাল লুকোনো ছিল বাড়ির ছাদে! সল্টলেকের ঘটনায় সন্দেহের তির খোদ মায়ের দিকে

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সল্টলেকের এজে ব্লকের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হল মানুষের কঙ্কাল! প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির ছাদ েলুকিয়ে রাখা হয়েছিল কঙ্কালটি। সেটি এক যুবকের বলেই মনে করা হচ্ছে। মাসখানেকের বেশি সময় আগে খুন করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় গৃহকর্ত্রী গীতা মহেনসারিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অনুমান, কঙ্কালটি তাঁরই ছেলে অর্জুনের!

পুলিশ জানিয়েছে, ১৯৮৮ সালে গীতা মহেনসারিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় অনিলকুমার মহেনসারিয়ার। তাঁদের দুই ছেলে, অর্জুন এবং বিদুর। তাঁদের বয়স ২৫ এবং ২২। ২০ বছরের এক মেয়েও রয়েছে, বৈদেহী মহেনসারিয়া। গত বছর থেকেই নানা রকম অশান্তি চলছিল অনিল ও গীতার মধ্যে। অনিল পুলিশকে জানিয়েছেন, গত বছরের অগস্ট মাস থেকেই রাজারহাটের একটি ফ্ল্যাটে আলাদা থাকতে শুরু করেন তিনি।

এর পরে এবছর, গত ২৯ অক্টোবর তিনি জানতে পারেন, ছেলেমেয়েদের নিয়ে গীতা রাঁচিতে চলে গিয়েছেন, তাঁর মায়ের কাছে। কিন্তু বড়ছেলে অর্জুনের কোনও খবর পাননি অনিল। যদিও গীতা দাবি করেন তিন ছেলেমেয়েই তাঁর সঙ্গে আছেন, কিন্তু অনিলবাবু কোনও ভাবেই বড়ছেলে অর্জুনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি পুলিশকে জানান, রাঁচিতে খবর নিয়ে তিনি জানতে পারেন অর্জুন সেখানে নেই। এর পরেই তিনি বিধাননগর ইস্ট থানায় এসে নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

অর্জুনের খোঁজে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রাঁচি থেকে ডেকে পাঠানো হয় তাঁর মা গীতাকেও। তল্লাশি চালানো হয় তাঁদের সল্টলেকের ফ্ল্যাটে। তখনই ছাদ থেকে উদ্ধার হয় নরকঙ্কালটি। পুলিশের অনুমান, গীতাই ছেলেকে খুন করে কঙ্কাল লুকিয়ে রেখেছিলেন ছাদে। কিন্তু তিনি কেন এমন করতে পারেন, সে বিষয়ে এখনও পুরোপুরি অন্ধকারে পুলিশ।

ফরেনসিক টিম পৌঁছে নমুনা সংগ্রহ করেছে ঘটনাস্থলের। পরীক্ষার পরেই প্রমাণ হবে ওই কঙ্কাল অর্জুনেরই কিনা। গীতাকে জেরা করে সে সব কথা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.