‘আমাদের ২৫ জন আহত, ১১ জন নিখোঁজ!’ জেএনইউ কাণ্ডে পাল্টা দাবি এবিভিপির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রছাত্রী ও অধ্যাপকদের মারধর করার অভিযোগ ওঠার পরে পাল্টা অভিযোগ তুলল এবিভিপি। তাদের দাবি, রবিবার সন্ধেয় এই হামলা চালিয়েছে জেএনইউ-এর বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়ারাই! তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল এবিভিপির সদস্যরা।

শুধু তাই নয়, একটি বিবৃতি জারি করে এবিভিপি আরও দাবি করেছে, তাদের ২৫ জন সদস্য গুরুতর ভাবে আহত। ১১ জন নিখোঁজ।

জেএনইউ-এ এবিভিপির সভাপতি দুর্গেশ কুমার, “এবিভিবি সদস্যরা বামপন্থী সংগঠন এসএফআই, আইসা, ডিএসএফ-এর পড়ুয়াদের দ্বারা আক্রান্ত। ২৫ জন গুরুতর জখম, ১১ জন কোথায় জানা যায়নি। বামপন্থী গুন্ডারা হস্টেলে ভাঙচুর চালিয়েছে, এবিভিপি ছাত্রছাত্রীদের আক্রমণ করেছে।”

এবিভিপির তরফে টুইট করেও জানানো হয়েছে, “কমিউনিস্ট গুন্ডারা জেএনইউ-এর পড়ুয়াদের উপর এবং এবিভিপির উপর আক্রমণ চালিয়েছে। রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ইউনিভার্সিটির ক্ষতি করেছে তারা।”

বলাই বাহুল্য, এবিভিপির এই দাবির সঙ্গে জেএনইউয়ের ছাত্র সংসদের বক্তব্য একেবারেই মিলছে না। একাধিক টুইট করে ছাত্র সংসদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, এবিভিপির সদস্যরা মুখ ঢেকে, হাতে অস্ত্র নিয়ে জেএনইউ-এর হস্টেলে ঢুকে নির্বিচারে মারধর চালিয়েছে পড়ুয়াদের উপর। অধ্যাপকেরাও রেহাই পাননি। সবরমতী হস্টেলে ভাঙচুরও চালিয়েছে তারা, নষ্ট করেছে সম্পত্তি।

জেএনইউ ছাত্র সংসদের তরফে টুইট করে বলা হয়, “এবিভিপির আক্রমণকারীরা মুখ ঢেকেছিল। পাইপ বেয়ে হস্টেলে উঠছিল তারা। হাতে লাঠি, রড, হাতুড়ি– এ সব ছিল।”

আক্রান্ত হয়েছেন  ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষ-সহ অনেকে। অনুমান করা হচ্ছে, ধারালো কোনও কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে ঐশীর মাথায়। গুরুতর জখম অবস্থায় এইমসের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। একটি ভিডিওয় ঐশী জানান, “মুখোশ পরা গুন্ডারা আমার উপর নৃশংস ভাবে আক্রমণ করেছে। প্রচণ্ড মেরেছে আমায়। রক্ত পড়ছে।”

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More