উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন অব্যাহত, দল ছেড়ে পদ্মে রায়বেরিলির বিধায়ক অদিতি সিং  

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে (congress) (uttar pradesh) ফের ধাক্কা (setback)। বুধবার কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে (bjp) গেলেন রায়বেরিলীর বিদ্রোহী নেত্রী (rebel) অদিতি সিং (aditi singh)। লখনউয়ে আজ অদিতির সঙ্গেই পদ্মশিবিরে সামিল হলেন বহুজন সমাজ পার্টির (বসপা) বিধায়ক বন্দনা সিংও। তাঁদের বিজেপিতে স্বাগত জানান দলের উত্তরপ্রদেশ শাখার প্রধান স্বতন্ত্র দেব  সিং। অদিতির দল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান বিশেষ তাত্পর্য্যপূর্ণ এজন্যই যে, যে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের দায়িত্ব  দিয়েছে কংগ্রেস, দিনকয়েক আগে প্রকাশ্যে তাঁর তীব্র সমালোচনা করে তিনি মন্তব্য করেন, প্রিয়ঙ্কার (priyanka) হাতে রাজনীতি করার মতো ইস্যু নেই বলেই কেন্দ্রের তিন কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

২০১৭য় প্রথম রায়বেরিলি থেকে কংগ্রেসের টিকিটে বিধানসভায় নির্বাচিত হন অদিতি। সাম্প্রতিক কালে বেশ  কয়েকবার তিনি নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন, বিজেপি সরকারকে সমর্থন করেন। কেন্দ্রের জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

রায়বেরিলি আসনটি অদিতির পরিবারের দুর্জয় ঘাঁটি বলা যায়। তাঁর বাবা প্রয়াত অখিলেশ সিং ১৯৯৩ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত কংগ্রেসের টিকিটে ওখানে নির্বাচিত হন। কংগ্রেস তাঁকে বহিষ্কার করলেও নির্দল  হিসাবে জেতেন তিনি। ২০১২ সালে পিস পার্টির প্রার্থী হিসাবেও রায়বেরিলিতে নির্বাচিত হন অখিলেশ।

ইদানিং কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না অদিতির। জিতিন প্রসাদ সহ একাধিক শীর্ষ নেতার দল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া জন্য তিনি ঘুরিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বকেই বেঁধেন। বলেন, একে একে তরুণ, উদ্যমী নেতারা কেন দল ছাড়ছেন, সে ব্যাপারে গভীর ভাবে ভাবা উচিত সর্বোচ্চ নেতৃত্বের। আমি নিশ্চিত, জিতিন প্রসাদ অনেক ভেবেচিন্তেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তো ছিলেনই, একজন সচল নেতাও। কংগ্রেসের ক্ষতি মানে বিজেপির লাভ।

অথচ এই অদিতির সঙ্গেই রাহুল গাঁধীর বিয়ের জল্পনা, গুঞ্জন ঘিরে কয়েক বছর আগে জোর চর্চা হয়েছিল সোস্যাল মিডিয়ায়।

কংগ্রেস নেতৃত্ব গত বছরই দলের হুইপ না মেনে মহাত্মা গাঁধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী পালনে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ায় অদিতির বিধায়ক পদ খারিজের  দাবিতে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দেয়। তাঁকে শোকজও করা হয়। তবে স্পিকার হৃদয় নারায়ণ দীক্ষিত কংগ্রেসের দাবি খারিজ করে দেন।

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.