কোভিডকে কাত করবে চিউয়িং গাম! নয়া গবেষণায় চাঞ্চল্যকর দাবি, কী বলছেন গবেষকরা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ করোনাকে নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। দীর্ঘ প্রায় দু’বছর ধরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। বহু বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন করোনার থাবায়। আর সেই মারণ ভাইরাসকেই নাকি জব্দ করতে পারে সামান্য এক চিউয়িং গাম!

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক বিজ্ঞান গবেষণাপত্রে এমন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়েছে এক বিশেষ ধরণের চিউয়িং গাম আছে, যা কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। মুখের ভিতরে লালারসের মধ্যেই লুকিয়ে তার কারসাজি। মানুষের শরীরে এই চিউয়িং গাম কোভিড ১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে দেয় না। লালারসের মধ্যেই তাকে আটকে দেয়।

করোনার ভাইরাস মুখে লালারসের ভিতরেই থাকে প্রচুর পরিমাণে। কোভিড টেস্টের সময়ও তা কাজে লাগে। এই লালারসের মধ্যেই কাজ করে ওই বিশেষ ধরণের চিউয়িং গামও। গবেষকরা বলেছেন, তাঁরা কোভিডের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের উপর এই চিউয়িং গাম প্রয়োগ করে দেখেছেন। আদতে দেখা গেছে সব কটি ভ্যারিয়েন্টকেই জব্দ করতে পেরেছে তা।

তবে সম্প্রতি কোভিডের যে নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, তা এখনও এই চিউয়িং গামের মুখে পড়েনি। একে নিয়ে গবেষণা করে দেখার সুযোগ এখনও হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই গবেষকরা। তবে কোভিডের বাই রূপগুলিকে রুখে দিতে পারে এই চিউয়িং গাম, জানিয়েছেন তাঁরা।

এমনিতেই চিউয়িং গাম মুখের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। কারণ এর মধ্যে মুখের ভিতরকার বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা থাকে। ডাক্তাররাও চিউয়িং গাম খেতে বলেন হামেশাই। লালারসে যেহেতু কোভিডের আস্তানা, তাই চিউয়িং গাম নিয়ে পরীকশানিরীক্ষা চলছিল আমেরিকায়। তাতেই সাফল্য মিলেছে।

বলা হয়েছে এই বিশেষ ধরণের চিউয়িং গাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে উদ্ভিদজাত এসিই-২ রিসেপ্টর প্রোটিন। কেন এই প্রোটিন? গবেষকরা জানিয়েছেন, এই প্রোটিনে আটকে যায় করোনার ভাইরাস। তাই চিউয়িং গামে এই প্রোটিন ব্যবহার করায় ভাইরাস আর সারা দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে না। এই গবেষণা কোভিডের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী বলেই মনে করছে বিজ্ঞান মহল।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.