সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে বড় রদবদল, রাজ্য কমিটিতে তারুণ্যের ছড়াছড়ি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবার প্রথম দ্য ওয়াল-এই লেখা হয়েছিল বাংলা সিপিএমে বৃদ্ধতন্ত্রের অবসান ঘটতে চলেছে। একইসঙ্গে এও লেখা হয়েছিল পুজোর পর রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে একাধিক বদল আনতে চলেছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। হলও তাই।

সিপিএমের দু’দিনের রাজ্যকমিটির অধিবেশন শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। প্রথম দিনই সম্পাদকমণ্ডলী থেকে চারজনকে সরিয়ে দিল সিপিএম। গৌতম দেব, দীপক দাশগুপ্ত, নৃপেন চৌধুরী ও মানব মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী থেকে। যদিও দলের তরফে বলা হয়েছে এই চারজনই অব্যাহতি চেয়েছিলেন।

এঁদের জায়গায় নিয়ে আসা হল অনাদি সাহু, সুমিত দে, পলাশ দাস ও কল্লোল মজুমদারকে। অনাদি ও সুমিত ছিলেন আমন্ত্রিত সদস্য। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হল সম্পাদকমণ্ডলীতে। সম্পাদকমণ্ডলীর স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ শমীক লাহিড়ীকে।

গৌতম দেব দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। মানব মুখোপাধ্যায়েরও সম্প্রতি সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়েছিল। আর নৃপেন ও দীপকবাবু- দুই কৃষক ও শ্রমিক ফ্রন্টের নেতাকে সরাসরি বয়সের কারণেই বাদ যেতে হল বলে মত অনেকের।

রাজ্য কমিটিতে একটি জায়গা ফাঁকা ছিল। সেখানে নেওয়া হয়েছে বীরভূমের শ্যামলী প্রধানকে। এ ছাড়াও রাজ্য কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে ছাত্র সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ময়ূখ বিশ্বাস, রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য, সভাপতি প্রতীকউর রহমান, যুব সংগঠনের রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের মতো তরুণ মুখকে।

নেতৃত্বের গড় বয়স নিয়ে দলের মধ্যে কম ক্ষোভ ছিল না। এ বার তারুণ্য আনতে সেই পদক্ষেপই নিল সিপিএম। কিন্তু এই দাওয়াইয়ে সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব কিনা তা বলবে সময়ই।

সাতমহলা আকাশের নীচে

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.