ত্রিপুরার জন্য সিপিএম টাকা তুলবে দেশজুড়ে, বৃহস্পতিবার আগরতলায় অবস্থানে বিধায়কদল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ত্রিপুরায় ক্ষতিগ্রস্ত পার্টি অফিস, দলীয় র্মীদের বাড়ি মেরামত, আহত ‘কমরেড’দের চিকিৎসার জন্য দেশজুড়ে অর্থ সংগ্রহেরর ডাক দিল সিপিএম। পলিটব্যুরো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিটি শাখা এলাকায় এই অর্থসংগ্রহ করা হবে। সেই টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে মানিক সরকারদের হাতে।

সিপিএমের বক্তব্য, অর্থ সংগ্রহটাই একমাত্র লক্ষ্য নয়। বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের মুখোশ খোলা হবে। মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে, কেমন মডেল রাজ্য হয়েছে ত্রিপুরা। বাংলাতেও ত্রিপুরার জন্য অর্থসসংগ্রহের কর্মসূচিতে নেমে পড়ছে সিপিএম। বুধবার দমদম স্টেশনে অর্থ সংগ্রহ করবে সিপিএম।

কৃষক বিক্ষোভের ‘ক্ষতিকর প্রভাব’, কেন্দ্র, ৪ রাজ্যকে নোটিস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

ত্রিপুরার অবস্থা কী তা জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে এদিন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। এদিন সীতারাম বলেন, ত্রিপুরায় জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম করেছে বিজেপি। মানিকবাবু বলেন, ২০১৮ সালে সরকারে আসার পর থেকেই এই নৈরাজ্য চালাচ্ছে বিজেপি। গত সাড়ে তিন বছরে ভাষণ ছাড়া একটা কাজ করেনি। এখন যখন বুঝতে পারছে পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে তখন আক্রমণের মাত্রাকে আরও বাড়াতে চাইছে। ভাবছে এ ভাবে আমাদের ঘজরে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে।
সীতারাম এও বলেন, ত্রিপুরায় জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের বিধানসভা এলাকায় ঢুকতে পারছেন না । আমি নিজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সমস্ত বিষয় চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। কিন্তু তাঁর কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই!

এদিন সীতারাম, মানিকের সঙ্গে দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার আরএক নেতা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিতেন চৌধুরী। রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাস, বামফ্রন্টের আহ্বায়ক বিজন ধরকে বাদ দিয়ে জিতেনের দিল্লি যাওয়া নিয়ে আবার ত্রিপুরা সিপিএমের মধ্যে অন্য জল্পনা উস্কে গিয়েছে। তাহলে কি এবার জিতেন চৌধুরীকে ত্রিপুরার সম্পাদক করবে সিপিএম।

অনেকের মতে, দলের একটা অংশের কাছে বর্তমান সম্পাদক গৌতমবাবুর গ্রহণযোগ্যতা নেই। তুলনায় জিতেন চৌধুরীর প্রতি অনেক তরুণ কর্মীর সমর্থন রয়েছে। তবে ত্রিপুরা সিপিএমের কোনও নেতাই এ ব্যাপারে কোনও কথা বলেননি।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর আগরতলার ওরিয়েন্ট চৌমুহনিতে অবস্থানে বসবে মানিক সরকারের নেতৃত্বে বাম বিধায়ক দল। তারপর লাগাতার কর্মসূচি করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিপিএম। শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলাই নয়, বিরোধী পরিসরের দখল যাতে তৃণমূলের দিকে না যায় তাও ভাবতে হচ্ছে দশরথ দেব স্মৃতি ভবনকে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More