জিআইএস সফটওয়ার থেকেই আগামী দিনে রাজস্বের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আসবে, আশাবাদী ইএসআরআই

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দেশে পরিকাঠামো নির্মাণের সঙ্গে চাহিদা বাড়বে জিওগ্রাফিক ইনফর্মেশন সিস্টেম (GIS)-এর। ওই প্রযুক্তি ড্রোনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে জিআইএস সলিউশনস প্রোভাইডার ইএসআরআই ইন্ডিয়া আশা করছে, আগামী বছরে তাদের রাজস্বের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আসবে ক্লাউড বেসড ম্যাপিং সলিউশনস থেকে। ইএসআরআই ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অগ্নেন্দ্র কুমার বলেন, আগামী দিনে স্মার্ট সিটি প্রকল্প, ভারতমালা প্রকল্প, নদী সংযুক্তিকরণ এবং ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা প্রকল্পে জিওগ্রাফিক ইনফর্মেশন সফটওয়ারের চাহিদা বাড়বে। তাঁর কথায়, “আমরা চলতি বছরেই সাইট স্ক্যান বাজারে এনেছি। আগামী বছরের শেষে আমাদের মোট রাজস্বের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সাইটস্ক্যান থেকে আসার সম্ভাবনা আছে।”

সাইটস্ক্যান ফর আর্কজিআইএস সলিউশনস ড্রোনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতে কাজে লাগে। অগ্নেন্দ্র কুমার বলেন, সরকার চাইছে ড্রোনের ব্যবহার বাড়ুক। আশা করা হচ্ছে, আগামী দিনে ড্রোন ও তার আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়বে। সরকারের স্বামিতাভ প্রকল্প চালু হবে দেশ জুড়ে। ওই প্রকল্পে ড্রোন ম্যাপিং-এর মাধ্যমে ১ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে।

স্বামিতাভ প্রকল্পে গ্রামে জনবসতি অঞ্চলে ড্রোন থেকে জমির মানচিত্র তৈরি করা হবে। তার মাধ্যমে গ্রামে বাড়ির মালিকদের দেওয়া হবে লিগ্যাল ওনারশিপ কার্ড। ইএসআরআই ইন্ডিয়ার দাবি, তার পণ্যের ৯০ শতাংশই কেনে বিভিন্ন সরকারি দফতর। ভারতে তাদের মোট ব্যবসার ৭০ শতাংশই হয় সরকারের সঙ্গে।

অগ্নেন্দ্র কুমারের দাবি, অতিমহামারীর মধ্যেও তাঁদের ব্যবসা বেড়েছে। এখন কোভিড পরিস্থিতির কিছু উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইএসআরআই ইন্ডিয়ার ব্যবসাও বিকশিত হচ্ছে দ্রুত। অগ্নেন্দ্র কুমারের কথায়, “অতিমহামারীর সময় কোভিড ১৯ জোন ম্যাপিং-এর জন্য আমাদের সফটওয়ার কাজে লেগেছে। সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্র গত বছরে জিআইএস-এর পিছনে খরচ কমায়নি।” গত এপ্রিল ও মে মাসে দেশে কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভ ছিল তুঙ্গে। তখন কোম্পানির ব্যবসা কিছু কমেছিল। এখন তা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More