তরুণরা কী ভাষায় কথা বলে, এনসিবিকে শেখালেন জুয়েলারি ডিজাইনার

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ‘লেটস হ্যাভ এ ব্লাস্ট’ (Blast)। বন্ধু আরবাজ খানকে এমনই টেক্সট করেছিলেন সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান। নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর বক্তব্য, ওই বার্তা থেকে বোঝা যায়, আরিয়ান তাঁর বন্ধুর থেকে মাদক চেয়েছিলেন। জুয়েলারি ডিজাইনার ফারহা খান আলি-র বক্তব্য, মিলেনিয়ালরা, অর্থাৎ যাদের জন্ম হয়েছে একুশ শতকে, তারা নিজেদের মধ্যে কী ভাষায় কথা বলে, তা এনসিবি-র জানা উচিত। তাহলে তারা বুঝতে পারবে, ‘হ্যাভ এ ব্লাস্ট’ বলতে মাদক সেবন করা বোঝায় না।

অভিনেতা হৃতিক রোশনের প্রাক্তন স্ত্রী সুজানের দিদি ফারহা এর আগেও শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবারের হয়ে টুইট করেছেন। সম্প্রতি তিনি টুইট করে বলেছেন, ‘ডিয়ার এনসিবি, মিলেনিয়ালদের ভাষা আপনাদের জানা উচিত। গুগল দেখলেই বুঝতে পারবেন, তারা কী ভাষায় কথা বলে। তাদের কাছে ফোমো শব্দের অর্থ ফিয়ার অব মিসিং আউট, সিক শব্দের অর্থ সামথিং দ্যাট ইজ কুল, ডোপ শব্দের অর্থ সামথিং একসেলেন্ট, গোট শব্দের অর্থ গ্রেটেস্ট অল টাইম এবং ব্লাস্ট শব্দের অর্থ, হ্যাভ এ গুড টাইম’।

গত ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেভ পার্টি থেকে গ্রেফতার হন আরিয়ান খান। মাদক মামলায় তার হাতে হাতকড়া পরিয়েছিল এনসিবি। জেরার মুখে শাহরুখ পুত্র স্বীকার করে নিয়েছিলেন তিনি মাদক নিয়েছেন। এনসিবি দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরিয়ান ও তাঁর সঙ্গীরা।

আরিয়ানকে যখন নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে নিয়ে আসা হয়, তখন তাঁর আশপাশে ছিল এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে তার মুখ দেখা গিয়েছে। তাকে নিয়ে ঘনিয়ে উঠেছে রহস্য। সেই লোকটিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য লুক আউট নোটিশ জারি করেছে পুনে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তির নাম কে পি গোসাবি। ২০১৮ সালে তার নামে জোচ্চুরির মামলা হয়েছিল। তখন থেকে সে আত্মগোপন করে আছে। লুক আউট নোটিশ জারির ফলে সে দেশ ছেড়ে পালাতে পারবে না। পুনে পুলিশের কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত জানিয়েছেন, গোসাবির নামে ফরাসখানা থানায় অভিযোগ জমা পড়েছিল।

নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো জানিয়েছে, আরিয়ানদের বিরুদ্ধে মামলায় যে ন’জন সাক্ষী জোগাড় করা হয়েছে, গোসাবি তাদের মধ্যে একজন। সে নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর কোনও অফিসার বা কর্মী নয়। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক ইতিমধ্যে এনসিবি-র অফিসে গোসাবির উপস্থিতি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।

মহারাষ্ট্র পুলিশ বলেছে, ২০১৮ সালে গোসাবি পুনের এক ব্যক্তির থেকে মালয়েশিয়ায় চাকরি করে দেবে বলে টাকা নিয়েছিল। চিন্ময় দেশমুখ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, গোসাবি তাঁর থেকে ৩ লক্ষ ৯ হাজার টাকা নিয়েছে। গোসাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেছিল, মালয়েশিয়ায় কয়েকটি হোটেলে কিছু পদ ফাঁকা আছে। চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে চিন্ময়ের থেকে দফায় দফায় টাকা নেয়। সে বলেছিল, চাকরি করে দিতে না পারলে টাকা ফেরত দেবে। কিন্তু ফেরত দেয়নি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.