প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজ্যের স্বার্থেই, পরোক্ষে বিরোধীদের জবাব মমতার

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  নরেন্দ্র মোদীর (narendra modi) সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) বৈঠক (meet)বরাবরই রাজনৈতিক বিতর্কের (controversy)জন্ম দেয়। দিল্লিতে তাঁদের বুধবারের বৈঠকও তার বাইরে রইল না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দেখা করতে যাওয়ার আগেই বৈঠক নিয়ে সরব হন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এবং সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী( oppostion)। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে ছিল খানিক বিরোধীদের জবাব দেওয়ার চেষ্টা। বলেন, রাজ্যের দাবিদাওয়া (demands) (state) নিয়ে কথা বলতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন।

গত অগাস্টে দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী জোট গঠন নিয়ে আলাপ আলোচনা চালানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই সফরেও একইভাবে তিনি একদফা বিজেপি বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বিশদ ব্যাখ্যা (clarification) দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, রাজনৈতিক সম্পর্ক আর উন্নয়নের সম্পর্ক এক নয়। রাজ্যের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হতেই পারে। রাজ্যের দাবি নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, রাজ্যগুলির উন্নতি হলেই দেশ উন্নত হবে।

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছে, তারই খানিকটা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক একেবারেই ব্যক্তিগত। রাজ্যের স্বার্থের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, তিনি বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। অথচ রাজ্য বিধানসভায় বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় মুখ্যমন্ত্রী হাজির ছিলেন না।
সুজন চক্রবর্তীরও বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকের সঙ্গে রাজ্যের কোনও সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে মোদীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন মমতা।’’

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.