নিহত ছেলেকে শৌর্য্য চক্র, নিতে গিয়ে কোবিন্দের সামনে কেঁদে ভাসালেন পুলিশ অফিসারের মা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের জন্য প্রাণ বলিদান দেওয়া ছেলে শৌর্য্য চক্র পেয়েছে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত থেকে তাঁর হয়ে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সাহসিকতার পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে শোকের কান্না কিছুতেই বাঁধ মানল না সারা বেগমের। সামনে তখন উপস্থিত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা। খুব কাছে বসে আছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জম্মু কাশ্মীরের স্পেশাল পুলিশ অফিসার বিলাল আহমেদ মাগরের মা। ২০১৯-এ সন্ত্রাস দমন অভিযানে গিয়ে কর্মরত অবস্থায় নিহত হন মাগরে।

বারামুল্লায় জঙ্গি দমন অপারেশনের সময় সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে মারাত্মক জখম হয়েও কষ্ট চেপে রেখে একদিকে ওদের ঠেকিয়ে রাখছিলেন, অন্যদিকে নিরপরাধ নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনছিলেন মাগরে।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ভয়েস ওভারে যখন কীভাবে ছেলের অসামান্য সাহসিকতার বর্ণনা দেওয়া হচ্ছিল, ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখা যায় বেগমকে। তাঁকে দেখে স্বান্তনা দেন এসকর্ট করে নিয়ে আসা জওয়ানরা।

কোবিন্দের হাত থেকে খেতাব গ্রহণ করে মন্ত্রীদের নমস্কার জানান তিনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও তাঁকে এগিয়ে এসে স্বান্তনা দেন।

শংসাপত্রে বলা হয়, বিলাল আহমেদ মাগরে স্বেচ্ছায় রুম ইন্টারভেনশন অপারেশনাল পার্টিতে সামিল হন, সন্ত্রাসবাদীদের খতম করা, একটি বাড়িতে আটকে পড়া সাধারণ নাগরিকদের বের করে আনার কাজে যোগ দেন। লুকিয়ে থাকা এক জঙ্গি গ্রেনেজ নিক্ষেপ করে, তাঁর ও বাকিদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। মাগরে, পার্টি কম্যান্ডার এসআই শ্রী অমর দীপ ও সোনু লাল নামে এক নাগরিক মারাত্মক জখম হন। কিন্তু ভয়াবহ আঘাত সত্ত্বেও মাগরে অদম্য প্রাণশক্তি, সাহসের সঙ্গে জখম নাগরিক ও বাকিদের নিরাপদে বাইরে বের করে আনেন। কিন্তু তাঁর শরীর থেকে নাগাড়ে রক্তপাত হচ্ছিল। যদিও জ্ঞান হারানোর মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি গুলি চালিয়ে যান জঙ্গিদের ঠেকিয়ে রাখতে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.