বর্ষা তো এল, কিন্তু ইলিশ কই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাঁকিয়ে বসেছে বর্ষা। কিন্তু সঘন গহন শ্রাবণধারায় মাঝে বাঙালির পাতের আসরে এখনও ইলিশ হাহাকার। দেখা নেই তেলতেলে নধর ইলিশের!

কাকদ্বীপ, নামখানা, বকখালি, পাথরপ্রতিমা, রায়দীঘি ও ডায়মন্ড হারবার, নদীর অববাহিকায় থাকা ইলিশমারাদের জালে সেই হতাশাই।

দক্ষিণ ২৪ পরগণার বড় পাইকারি বাজার ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজারে কান পাতলেও শোনা যাচ্ছে ‘ইলিশ কই, ইলিশ কই’।

আবার নদী মোহনা ছাড়িয়ে একটু দূরে দীঘায় কিন্তু ইলিশ ইলিশ গন্ধে মাতোয়ারা। এখনও এসে পৌঁছয়নি যদিও। তবে এসেছে ওয়্যারলেসে খবর। সমুদ্রের ট্রলারের জালে আটকেছে প্রায় ১৫ টন ইলিশ। মহামূল্য সেই রুপোলি ফসল নিয়ে তাঁরা পাড়িও জমিয়েছেন দীঘার দিকে।

দীঘার সমুদ্রে ইলিশের অনুকূল টিপটিপ ইলশেগুঁড়ির দেখা মিললেও, সেই আবহাওয়া এখনও আসেনি দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। বরং নিম্নচাপের জন্য ইলিশ ধরতে যাওয়ার জো নেই মৎস্যজীবীদের।

আরও পড়ুন: পদ্মাপারে ইলিশ ভ্রমণ

ট্রলার মালিকদের গলায় হতাশার সুর। এক এক বার ইলিশ ধরতে যাওয়ার খরচ প্রায় দেড় লাখ টাকা। কিন্তু যা উঠছে তাতে বড় জোর রোজগার ৮০-৯০ হাজার।

ইলিশ কিনতে দূর দূরান্ত থেকে আসা খরিদ্দারদেরও গলায় হতাশা। ঢাকুরিয়া থেকে আসা অমিত রায়ের গলায় হতাশা, যা দাম তাতে ইলিশ ছোঁয়ার সাধ্য নেই। ইলিশ কেনার বদলে বাড়ি ফিরছেন অন্য মাছ নিয়ে।

দীঘার আড়তদাররা অবশ্য ভরসা দিচ্ছেন। ট্রলার এসে পোঁছলেই মাছ যাবে কলকাতাতেও। দর কমে সাধ্যবিত্তর সাধ্যের মধ্যেই এসে যাবে এমনই আশ্বাস তাঁদের।

আপাতত ভাত-ইলিশের সেই আশা নিয়েই বসে আছেন কলকাতার বাঙালিরা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More