মোদীকে বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা রাহুলের, পোস্ট করলেন ‘হাম দো হামারে দো কি সরকার’-এর ভিডিও

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনীতির অঙ্গনে তাঁরা চরম প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই বলে কি ফ্রেন্ডশিপ ডে-তে উইশ করতে নেই! তাই সারা বছর কেউ কাউকে ছেড়ে কথা না বললেও, বিরোধিতায় মুখর থাকলেও, রবিবার বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন একজন। তিনি কংগ্রেস নেতা রাহল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বন্ধুত্ব দিবসের বার্তা দিয়েছেন তিনি। তবে প্রত্যাশামতোই, সে বার্তাতেও মিশে রয়েছে ব্যঙ্গ ও বিরোধিতার কটাক্ষ।

আজ, রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল লেখেন, ‘হাম দো হামারে দো কি সরকার’কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা৷ এই লেখার সঙ্গে একটা ভিডিও-ও পোস্ট করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, একাধিক শিল্পপতির মাঝে রয়েছেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুকেশ আম্বানি এবং গৌতম আদানির বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি দেখা গিয়েছে। দেখা গিয়েছে মুকেশের ভাই অনিল আম্বানিকেও। ছবিগুলি পরপর সাজিয়ে একটি ভিডিও ক্লিপ তৈরি করে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর হিসেবে ব্যবহার করেছেন ফ্রেন্ডশিপ ডে-র থিম সং।

দেখুন সেই ভিডিও।

বস্তুত, বিভিন্ন শিল্পপতির সঙ্গে মোদীর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের ‘প্রমাণ’ তুলে ধরে বন্ধুত্বের দিনে পোস্ট করেছেন রাহুল।

তবে এই ‘হাম দো হামারে দো কি সরকার’ কথাটা গত বাজেট অধিবেশনেই রাহুলের মুখে শোনা গিয়েছিল। তিনি বলতে চেয়েছিলেন, চারজন মিলে দেশটাকে চালাচ্ছে৷ তিনি বলেছিলেন, “আগে পরিবার নিয়ন্ত্রণের একটা স্লোগান ছিল, ‘হাম দো, হামারে দো।’ করোনা যেভাবে অন্য রূপে এসেছে, এই স্লোগানও এখন অন্য রূপে এসেছে। এখন এই দেশ চালাচ্ছেন চারজন, হাম দো, হামারে দো। এই চারজনের নাম সকলেই জানেন। সবাই জানে এটা কার সরকার।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তাঁদের দুই শিল্পপতি বন্ধুর দিকে ইঙ্গিত করেন তিনি। তবে তাঁদের নাম বলেননি। আজ ফের বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে সেই স্লোগানকেই বেছে নেন রাহুল৷ সঙ্গে দিলেন অনেক ছবি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.