ভিডিও দেখুন, ‘হিরের খোঁজে’ সিংহের ডেরায় নামতে যেতেই যুবককে বাঁচালেন রক্ষীরা!

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিংহের (lion) পেটে যাওয়ার বাসনা ছাড়া এমন আচরণকে আর কী-ই বলা যেতে পারে? ভাগ্যিস, অন্য দর্শকদের চিত্কার শুনে সময়মতো ছুটে এসেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা (security guards), নইলে জি সাই কুমার নামে ছেলেটির  কী দশা হত কে জানে!

হায়দরাবাদ নেহরু জুলজিক্যাল পার্কে লাফিয়ে আফ্রিকান সিংহের এনক্লোজারে (enclosure) ঢোকার চেষ্টা করছিলেন সাই কুমার। সিকিউরিটি গার্ডরা নজরে পড়তেই ছুটে এসে তাঁকে নিরস্ত করেন। ঘটনাস্থলের একটি  ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাই কুমার এনক্লোজার সংলগ্ন একটি বোল্ডারের ঢালের ওপর হাঁটাহাঁটি করছেন, আবার বসলেন। জায়গাটার ঠিক নীচে পশুরাজ। একসময় সিংহের সঙ্গে সাই কুমারের চোখাচোখি হয়। সিংহটি লাফিয়ে  ওপরে ওঠার চেষ্টাও করে। সাই কুমারের প্ল্যাান ছিল, সিংহটি সরে গেলেই লাফ মেরে নীচে পড়বেন।

কিন্তু কেন এমন বিপজ্জনক সাধ? পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে সাই কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের ধারণা হয়, ৩১ বছরের ছেলেটির মাথার ঠিক নেই।

বাহাদুরপুরা থানার স্টেশন হাউস অফিসার ডি দুর্গা প্রসাদ জানান, সাই কুমার সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। একবার বলেন, সিংহের ডেরায় হিরে লুকোনো আছে বলে তাঁর ধারণা।  সেই হিরের খোঁজেই সেখানে ঢোকার কথা ভেবেছিলেন। তাঁর বাবা-মাকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁর মানসিক পরীক্ষা করা হবে। তিনি নাকি গত ১৭ বছর ধরে এমন উদভ্রান্তের মতো ঘুরে ঘুরে বেড়ান, বাড়ি যান না। কিসারা এলাকায় থাকেন তাঁর বাবা-মা। কী করে তিনি ভিতরে ঢুকে গেলেন, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কর্মীরা তাঁকে ধরে না ফেললে হয়তো মারাই যেতেন।

চিড়িয়াখানার তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হায়দরাবাদের নেহরু জুলজিক্যাল পার্কে সিংহদের নির্দিষ্ট এনক্লোজারে ছেড়ে  রাখা হয়। লোকটিকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তবে ভিডিওটি দেখে নানা  ধরনের প্রতিক্রিয়া এসেছে। একজন লিখেছেন, বেচারা। ওর মানসিক চিকিত্সা চাই। হয়তো জীবনের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিল। কেউ লিখেছেন, ডিনারটা জলে গেল! আরেকজন লেখেন, হা হা!বাচ গয়া।

 

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.