বেটি বাঁচাও! এই প্রথম দেশে পুরুষের চেয়ে মহিলার সংখ্যা বেশি

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের সামাজিক ইতিহাসে একটা মাইলফলক তৈরি হল আজ। এই প্রথম জনসংখ্যার নিরিখে পুরুষের সংখ্যাকে ছাপিয়ে গেল মহিলাদের সংখ্যা।

ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সমীক্ষার তথ্য বলছে, এই মুহূর্তে দেশে প্রতি ১০০০ পুরুষে মহিলার সংখ্যা ১০২০। এর আগে পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ৯৯১।

বুধবার নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ডক্টর বিনোদ কুমার পাল ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ এই তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে সন্তোষজনক। এতদিন ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা কম ছিল দেশে। এই প্রথম হিসেব উল্টো হল।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই সমীক্ষার প্রথম পর্বের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ। এটি ছিল তাদের পঞ্চম সমীক্ষা। এর পরে গতকাল, দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

অরুণাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়, ছত্তীসগড়, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, দিল্লি, ওড়িশা, পুদুচেরি, পঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ উত্তরাখণ্ড-সহ দেশের সমস্ত রাজ্যের মোট ৭০৭ জেলায় প্রায় ৬.১ লক্ষ পরিবারে চালানো হয়েছিল সমীক্ষা। এই কাজে কয়েক লক্ষ কর্মী সামিল হয়েছিলেন।

সমীক্ষার পরিসংখ্যান বলছে, জাতীয় স্তরে প্রতি মহিলার জন্ম দেওয়া সন্তানের সংখ্যা যেখানে ২.২ ছিল, তা কমে হয়েছে ২.০। চণ্ডীগড়ে এই হার আরও কম, ১.৪ এবং উত্তরপ্রদেশে কিছুটা বেশি, ২.৪।

পাশাপাশি জানা গেছে, সর্বভারতীয় স্তরে হাসপাতালে জন্মদানের হার ৭৯ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৯ শতাংশ। পুদুচেরি ও তামিলনাড়ুতে হাসপাতালে প্রসবের হার ১০০ শতাংশ। সেইসঙ্গে দ্বিতীয় স্তরের সমীক্ষাভুক্ত সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি এই হার ৯০ শতাংশের বেশি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.