শীতের কলকাতায় উষ্ণতা বাড়াচ্ছে জ্যাজ গানের সুর মূর্ছনা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে আমেরিকার নিউ অরলিন্সে জনপ্রিয় হতে শুরু হয়েছিল জ্যাজ মিউজিক। তবে এই সঙ্গীতের মূল শিকড় জুড়ে আছে আফ্রিকান বা অ্যাফ্রো -আমেরিকান মিউজিকের সঙ্গে, যা পরে পাশ্চাত্য সংগীত-কৌশলের সঙ্গে মিলেমিশে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে। পশ্চিম আফ্রিকার সহিল কিংবা নিউ ইংল্যান্ডের ধর্মীয় হাইম, হিলিবিলি মিউজিক থেকে শুরু করে ইউরোপের সেনাদলের ব্যান্ড মিউজিক- এই সবকিছুরই প্রভাব রয়েছে জ্যাজ মিউজিকে।কয়েকশো বছর ধরে গিটার হাতে আমেরিকার তরুণ প্রজন্মকে কাঁপিয়েছেন জ্যাজ শিল্পীরা। বিশ শতকের গোড়ায় শুরু হওয়া অ্যাফ্রো-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর এই মিশ্র গানের ধারা ১৯২০ থেকেই পাশ্চাত্য সঙ্গীতের মূল ধারাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করতে শুরু করে। ক্রমশই সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে জ্যাজ গান।কলকাতা বরাবরই গানবাজনার পীঠস্থান। আর জ্যাজ মিউজিক শুনতে পছন্দ করেন না এমন সংগীতপ্রেমী মানুষ বোধহয় কমই আছেন। এই শীতে কলকাতার বুকেই যদি পাওয়া যায় পাশ্চাত্য গানের সেই উন্মাদনা! জ্যাজের মাতাল কনসার্ট! কেমন হবে বলুন তো! পাশ্চাত্য গান ভালোবাসেন যারা তাঁদের জন্য এবার সেই পরিকল্পনাই নিয়েছে ট্রিংকাস। শীতের উইক-এন্ডকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে শতাব্দীপ্রাচীন রেস্তোরাঁ ‘ট্রিংকাস’-এ প্রতি সপ্তাহেই বসছে জ্যাজ গানের আসর।শীতের উষ্ণতাকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে প্রতি শুক্র থেকে রবি- এই তিন দিনব্যাপী পার্কস্ট্রিটের অভিজাত পুরোনো রেস্তোরাঁ ট্রিংকাসে চলছে হুইলি ওয়ালটারস জ্যাজ কোয়ারটেট ব্যান্ডের স্লো জ্যাজ, ভোকাল জ্যাজ, জ্যাজ পপের নানান আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান। আর সেইসঙ্গে জিভে জল আনা রেসিপির সঙ্গত তো রয়েছেই।পাতে যদি থাকে লবস্টার থারমিটার সিজলিং চিকেন স্টেক, সঙ্গে পিনা কোলাডা অথবা ওয়াইনের যুগলবন্দি, আর তাঁর সঙ্গে লাইভে বাজে চিক টু চিক, ফিবার, লেটস ডু ইট, লেটস ফল ইন লাভ ইত্যাদি বহুশ্রুত জনপ্রিয় গান, তাহলে তো কথাই নেই। শেষের পাতে ডেজার্টে মিলবে ক্যারামেল কাস্টার্ড অথবা নিউটেলা ক্যাপিচিনো, যার রেশ থেকে যাবে বহুক্ষণ। ট্রিংকাসে কর ছাড়া দুজনের খরচ মোটামুটি ১৪০০ টাকা (অ্যালকোহল ছাড়া)। আর অ্যালকোহল নিয়ে দুজনের খরচ পড়বে ২১০০ টাকা। আর এই অনুষ্ঠান দুপুর চলবে ১ টা- দুপুর ৩ টে পর্যন্ত ।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.