ঝাড়গ্রাম ডিয়ার পার্কেই ছিল হর্ষিনি, ২০ ঘণ্টা লুকোচুরির পর ধরা দিল ‘মা’

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়গ্রামের (Jhargram) ডিয়ার পার্ক থেকে পালিয়ে গেছিল চিতা বাঘ। সিসিটিভি ক্যামেরাও বোকা বনেছিল তার কাছে। পালিয়ে কোথায় গেছিল সে, কেউ জানে না। আতঙ্কের প্রহর গুনছিলেন এলাকাবাসী। শেষমেশ ২০ ঘন্টা পর শুক্রবার সকালেই দেখা মিলল সেই চিতা বাঘের। ঝাড়গ্রামের ডিয়ার পার্ক চত্বরেই একটা জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়েছিল হর্ষিনি!

ডিয়ার পার্ক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল, দুটো বাচ্চা ছেড়ে বেশি দূর যাবে না ‘মা’। সেই অনুমানই সত্যি হল। তড়িঘড়ি ট্রাঙ্কুইলাইজার টিম রেডি হল। ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়লে চিতা বাঘ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য আগে থেকেই চারদিক জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হল। হর্ষিনি নামের সেই চিতা বাঘকে এভাবেই কব্জা করতে চললেন ডিয়ার পার্ক কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা থেকে ইতিমধ্যেই সিসিএফ, জু অথরিটির আধিকারিক-সহ বন দফতরের একাধিক আধিকারিক এসে পৌঁছেছেন। নিখোঁজ চিতা বাঘের দেখা মেলায় আপাতত স্বস্তি।

সতর্কতায় খামতি নয়, বিসর্জনের সময় বেঁধে দিল নবান্ন

ডিয়ার পার্ক সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি এড়িয়ে পালিয়ে গেছিল হর্ষিনি নামের এক মা চিতা বাঘ। খাঁচা জুড়ে ক্যামেরা লাগান থাকলেও এদিন সকাল অবধি হর্ষিনির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।এদিকে পুজোর বাজারের জন্য রাস্তায় ভিড়। তার দুদিকে আবার শালগাছের জঙ্গল। তাই ডিয়ার পার্ক থেকে চিতা বাঘ পালানোর খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চিড়িয়াখানা থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরেই ডিএফও অফিস। তাও মানুষকে সাবধান পর্যন্ত করা হয়নি।

সেই আতঙ্ক নিয়েই কেটে গেল ২০ ঘন্টা। শেষমেশ হর্ষিনি দেখা দিল। লুকোচুরির পাট চুকিয়ে ফের ঘরের মেয়েকে ঘরে ফেরালেন ডিয়ার পার্ক কর্তৃপক্ষ।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.