বিসর্জনের পর গঙ্গার বুক থেকে কাঠামো তোলায় তৎপর পুরসভা ও কলকাতা বন্দর

1

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘বলো দুর্গা মাইকি, আসছে বছর আবার হবে…’ দুর্গাপুজো (Durga Pujo) শেষে বিসর্জনের মিছিল থেকে ওঠা ধ্বনিতে লেগে থাকে বিষাদের সুর। গঙ্গার বুকে মায়ের বিসর্জনের পালা শুরু হয়েছে দশমীর সকাল থেকে। চলবে ৪ দিন। তবে এই বিসর্জনের ফলে গঙ্গা দূষণ যাতে না হয় সেইদিকে বিগত ১০ বছর ধরে কলকাতা পুরসভা নজর রেখেছে। জলে প্রতিমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা জল থেকে তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় ক্রেনের মাধ্যমে। এই ব্যাপারে কলকাতা পোর্ট অধুনা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট সাহায্য করে।

সেই মতো গতকাল থেকেই জোর কদমে চলছে সেই কাজ। গঙ্গার ঘাটে ক্রেন, যান্ত্রিক নৌকা, দড়ি এবং পর্যাপ্ত লোকবল দিয়ে কাজ চলছে। বাজে কদমতলা ঘাট, জর্জ ঘাট ও নিমতলা ঘাটেই প্রধানত এই বিসর্জনের পালা চলে। এই তিন ঘাটেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এই বছরও কলকাতা পোর্ট সাহায্য করছে। জলে প্রতিমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেনের মাধ্যমে সেই প্রতিমার কাঠামো তুলে পাড়ে ফেলা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তা লরিতে চাপিয়ে বাইরে বার করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি গোটা কাজ পর্যবেক্ষণ করতে প্রতিটি ঘাটেই একটি করে যান্ত্রিক নৌকা বর্তমান।

আরও পড়ুনঃ ছেলেরা শাড়ি পরে নাচেন, মেয়েরা ধরে দেন কুঁচি, ২০০ বছরের রীতি এই শহরের

দুর্গাপুজোর পরই কালীপুজো। সেই সময়ও চারদিন বিসর্জনের সময় একই ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয় কলকাতা বন্দরের তরফে। আগে গঙ্গার বেশকিছুটা দূরে গিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের পালা চলত। তবে তাতে দূষণের আশঙ্কা বাড়ায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ধারেই জলে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমার। আর তৎক্ষণাৎ তা জল থেকে তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

দড়ি দিয়ে ব্যারিকেড করে এই ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা থাকে। পাশাপাশি, সব ঘাটেই যাতে পর্যাপ্ত লঞ্চের বন্দোবস্ত থাকে সেইদিকেও নজর দেওয়া হয়। এছাড়াও পর্যাপ্ত লোকবলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি ঘাটে ২ জন করে পর্যবেক্ষকও সর্বদা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুরো কার্যক্রমের।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
1 Comment
Leave A Reply

Your email address will not be published.