বুধে মমতা-সনিয়া বৈঠক দিল্লিতে, জাতীয় রাজনীতির নজর কাল জনপথে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মমতা দিল্লি গিয়েছেন সোমবার বিকেলে। দিদির দিল্লি যাওয়ার আগেই কালীঘাটকে বার্তা দিয়েছিল ১০ জনপথ।

সর্বভারতীয় কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে টুইট করে পেগাসাস নিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছিল। তারপরই কৌতূহল তৈরি হয়, তাহলে কি কংগ্রেস-তৃণমূলের আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে?

এই আবহেই বুধবার ১০ জনপথে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দিল্লি সফরে কার্যত দ্বৈত ভূমিকা তুলে ধরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক, তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং দুই, জাতীয় স্তরে বিরোধী নেত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভ্যাকসিন, ওষুধ-সহ রাজ্যের একাধিক দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন মমতা। আবার এই বৈঠকের আগেই সর্বভারতীয় কংগ্রেসের দুই নেতা কমলনাথ এবং আনন্দ শর্মার সঙ্গে আলাদা করে দেখা করেছেন তৃণমূলনেত্রী।

পরশুদিন বঙ্গ ভবনে বিভিন্ন বিরোধী নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দিদি। তাঁর আগের দিন সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এমনিতে মমতা-সনিয়ার ব্যক্তিগত সম্পর্ক যথেষ্ট ভাল। বাংলায় যতই কংগ্রেস তৃণমূলের বিরুদ্ধে কট্টরপন্থী হোক কালীঘাট-১০ জনপথের সম্পর্ক বরাবরই মসৃণ। একুশের ভোটে জিতে তৃতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মমতা-সনিয়ার ফোনে কথাও হয়েছিল। কাল মুখোমুখি সাক্ষাৎ। যা চব্বিশের লক্ষ্যে বিরোধী জোট গঠনের ওয়ার্ম আপ বলেই মনে করছেন অনেকে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More