মহিলাদের মহিষ, ষাঁড়ের সঙ্গে একাসনে বসিয়ে যোগীর দাবি, সবাই নিরাপদ উত্তরপ্রদেশে!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার (law and order) হাল তাঁর আমলে উন্নত হয়েছে বোঝাতে গিয়ে মহিষ, (buffalo) ষাঁড়দের (bulls) সঙ্গেই মহিলাদের (women) উল্লেখ করলেন যোগী আদিত্যনাথ(yogi adityanath)। কার্যতঃ গতকাল কুশীনগর থেকে ২০২২ এর রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যে মেয়ে, বোন, মহিষ, ষাঁড়-সকলেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগত বলে মন্তব্য করেছেন যোগী।

আরও পড়ুন—কঙ্গনার বড় ধাক্কা, জাভেদের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে ‘কুইনের’ বিরুদ্ধে

 

লখনউয়ে রাজ্য বিজেপি সদর দপ্তরে দলীয় মুখপাত্রদের ওয়ার্কশপে তিনি বলেন, আমাদের কর্মীদের দেখলেই বাড়ির মেয়েরা প্রশ্ন করতেন, কোনওদিন কি আমরা নিরাপদ বোধ করব? আগে মেয়ে, বোনেরা সুরক্ষিত বোধ করতেন না। এমনকী  পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ দিয়ে গরুর গাড়ি গেলেও, মহিষ, বাছুর,  ষাঁড়-কেউ  নিরাপদ বোধ করত না। পূর্ব উত্তরপ্রদেশে নয়, এমন সমস্যা দেখা যেত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে।  কিন্তু আজ সেই পরিস্থিতি নেই। আপনারা পার্থক্যটা দেখতে পাচ্ছেন না? এখন মহিষ, ষাঁড় বা মহিলা, যে-ই হোক, কাউকেই জোরজবরদস্তি তুলে নিয়ে যাওয়া যায় না। আগে উত্তরপ্রদেশের কী পরিচিতি ছিল? উত্তরপ্রদেশ মানে ছিল রাস্তায় গর্ত, অন্ধকার। কোনও ভদ্রলোক রাতে রাস্তায় হাঁটতে ভয় পেত। কিন্তু আজ আর নয়।

তবে গতকালের যোগীর আব্বা জান মন্তব্যের রেশ কাটেনি এখনও। সমাজবাদী পার্টিকে নিশানা করতে গিয়ে সরাসরি ধর্মীয় ইঙ্গিত দিয়ে কটাক্ষ করায় জোর আলোড়ন চলছে। যোগী বলেছিলেন, ২০১৭র আগে রাজ্যে গরিবের রেশন হজম করে ফেলত আব্বা জান বলা লোকজন। কুশীনগরের লোকের রেশন পাচার হত নেপাল, বাংলাদেশে। আজ কেউ গরিবের রেশন আত্মসাত্ করলে এলে তার জেলে ঠাঁই হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে নিশানা করে কটাক্ষ করে অহেতুক বিতর্ক  তৈরি করেছেন যোগী। তাঁর মন্তব্য সাম্প্রদায়িক ইঙ্গিতবাহী।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More