মহিলা অফিসারকে অশালীন টেক্সট! শপথ নিতেই ‘মি টু’ মামলায় মুখ্যমন্ত্রী চান্নির ইস্তফা দাবি কমিশনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দলিত ভোটের অঙ্ক মাথায় রেখে কংগ্রেস যে চরণজিত্ সিং চান্নিকে (charanjit singh channi) পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী (punjab cm) পদে বসাল, শুরুতেই তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলে দিল জাতীয় মহিলা কমিশন(national women commission)।  চান্নির বিরুদ্ধে মি টু (#me too allegation) অর্থাত্ যৌনগন্ধী আচরণের অভিযোগ তুলেছিলেন পঞ্জাব মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন মনীষা গুলাটি। সেই প্রসঙ্গ তুলে জাতীয় মহিলা  কমিশনের  চেয়ারপার্সন রেখা শর্মার বিস্ময়, কী করে এমন একজনকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এটা লজ্জাজনক। আপত্তিকর। চান্নির ইস্তফা (resignation) চেয়েছেন শর্মা। বলেছেন, আইএএস অফিসারকে যে হেনস্থা সইতে  হয়েছে, একই অভিজ্ঞতা, হেনস্থা আরেকজন মহিলারও হোক, আমরা চাই না। চান্নির অভিযোগের দায় মাথায় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়া উচিত।

গত  মে মাসে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অমরিন্দর  সিং সরকারের মন্ত্রী চান্নির তাঁকে মোবাইলে পাঠানো অশ্লীল বার্তার ব্যাপারে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকার স্পষ্ট অবস্থান জানাতে না পারলে  তিনি অনশনে বসবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পঞ্জাব মহিলা কমিশনের প্রধান। তিনি জানিয়েছিলেন, এব্যাপারে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখে তিনি জানতে চান, সরকার কী পদক্ষেপ করেছে।

শর্মা বলেন, মি টু মামলায় অভিযুক্ত চরণজিত সিং চান্নি ২০১৮য়  এক মহিলা আইএএস অফিসারকে অশালীন টেক্সট মেসেজ পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই চান্নি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন দেখে আমি চরম হতাশ, বিস্ময়ে হতবাক। এরপর কল্পনা করা যেতে পারে, মহিলা নিরাপত্তা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত একজন প্রশাসনের শীর্ষে বসার পর রাজ্যে নারী সুরক্ষার কী হাল হবে। রাজ্যে একজন আইএএস অফিসার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে কী করে কংগ্রেস নিশ্চিত করবে, পঞ্জাবের সাধারণ মহিলারাও নিরাপদ থাকবেন? নিজে মহিলা হয়েও চান্নির বিরুদ্ধে  ওঠা অভিযোগে গুরুত্ব না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী!

 

 

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More