পুজোয় বেরোতে অরুচি? বাড়িতেই রেস্তোরাঁ হাজির হচ্ছে সল্টলেকে

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহাপঞ্চমীর সঙ্গে সঙ্গে পুজোর (Puja) ঢাকেও কাঠি পড়ে গেছে। এবারের পুজোয় অষ্টমী থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাই অনেকেই চাইছেন আগেভাগে ঠাকুর দেখে সেরে ফেলতে। সল্টলেক নিউটাউনের বড় পুজোগুলিতে তৃতীয়ার রাত থেকেই চোখে পড়ার মতো ভিড় হচ্ছে।

রাহুল গান্ধীর কাজে সন্তুষ্ট নন ৪০ শতাংশ মানুষ, ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে চিন্তায় কংগ্রেস

আপনি কি সল্টলেকের বাসিন্দা? অন্য অনেকের মতো আপনিও কি চিন্তায় আছেন পুজোর পরিকল্পনা নিয়ে? একে কোভিডের ভ্রূকুটি, তায় আবার বৃষ্টির বাড়বাড়ন্ত, বাড়িতে বসেই আনন্দ সেরে ফেলতে পারলে পুজোটা কিন্তু জমে এক্সাবে। আর সেই সুযোগই সল্টলেকের বাসিন্দাদের এনে দিচ্ছে একটি সংস্থা। বাড়িতে ডাইনিং রুমকেই তারা বানিয়ে দিচ্ছে আস্ত একখানা রেস্তোরাঁ। অর্থাৎ বাড়ি বসেই পুজোর স্বাদ পাওয়া যাবে সল্টলেকে।

কীভানে এমনটা সম্ভব হবে? টেবিলের উপর থাকবে শিউলি ফুল, দেওয়াল থেকে ঝুলবে হাতপাখা, লাল আর সোনালি রঙের আভায় ঝকঝক করবে আপনার চেনা ডাইনিং রুম। তেমনটাই ব্যবস্থা করে দেবে এই সংস্থা। পুজোয় আর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আনন্দ করতে হবে না, যেতে হবে না রেস্তোরাঁয়।

এই সংস্থার নাম ডেলিশ ড্রিমস। নতুন এই সংস্থাই এবার পুজোয় দায়িত্ব নিয়েছে সল্টলেকবাসীর মনোরঞ্জনের। ক্রেতাদের বাজেট অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজাবে তারা। মোহময়ী করে তুলবে ডাইনিং রুমকে। কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা আমনদীপ সিং জানিয়েছেন, ডাইনিং সাজাতে পাঁচ ঘণ্টা মতো সময় লাগবে। শুধু সাজানোই নয়, রান্নার লোক গিয়ে রান্নাও করবে বাড়িতেই। তারপর পরিবেশনের পালা। সব ব্যবস্থা করে দেবে ডেলিশ ড্রিমস নিজেই।

ডেলিশ ড্রিমসের নিজস্ব হেঁশেল আছে সল্টলেকের এবি ব্লকে। এই পুজোয় নতুন ধরণের কাজ করে দেখতে চায় তারা। সিং আশা রাখছেন এই পরীক্ষামূলক কাজে সাফল্য আসবে। তবে আপাতত সল্টলেকের গণ্ডির মধ্যেই পরিষেবা সীমাবদ্ধ রাখবে ডেলিশ ড্রিমস।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.