খানাখন্দে ভরে আছে কলকাতার রাস্তা, পুজোর আগেই সারাতে চায় নবান্ন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা বৃষ্টিতে (Rain) জলমগ্ন গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃষ্টি থামছে না, জলও নামার নাম নেই। খাস কলকাতাতেও (Kolkata) এখনও একাধিক রাস্তাঘাটে বৃষ্টির জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসও খুব একটা আশার কথা শোনাচ্ছে না। সামনে পুজো। রাস্তাঘাটের এমন পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে নবান্ন।

লন্ডনে বিক্রি হতে চলেছে রবি ঠাকুরের বাড়ি, এখানেই শুরু হয়েছিল নোবেল-যাত্রা

পুলিশ সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে, দুর্যোগে রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খানাখন্দে ভরে গেছে শহর কলকাতার রাস্তা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কলকাতার অন্তত ৩১৮টি জায়গার রাস্তায় ছোট বড় মিলিয়ে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাস্তার মাঝে গর্ত হয়ে গিয়ে অনেক জায়গাতেই মৃত্যুফাঁদ তৈরি হয়ে রয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যখন তখন।

৩১৮টি রাস্তার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সম্ভবত ডায়মন্ড হারবার রোড। এছাড়া মোমিনপুর, একবালপুরের রাস্তা, উত্তর কলকাতার আর্মহার্স্ট স্ট্রিটের বেশ কিছু রাস্তা এবং বড়বাজারের রাস্তাও খানাখন্দে ভরে গিয়েছে।

পুজোর আগেই এই সমস্ত রাস্তার সংস্কার করতে চায় সরকার। কলকাতা পুরসভার তরফে যত শীঘ্র সম্ভব তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের যাতে সমস্যা না হয়, যাতে পুজোর আনন্দ মাটি না হয়ে যায়, তাই এই উদ্যোগ।

তবে শুধু কলকাতা পুরসভা নয়, পিডব্লুডি কেএমসির অধীনে যে সমস্ত রাস্তা আছে বিভিন্ন জেলায়, সেখানেও পুজোর আগেই রাস্তা মেরামত করার চেষ্টা করা হবে। পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার অবস্থাও ভাল নয়। সূত্রের খবর, এই সমস্ত রাস্তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেরামতের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

জানা যাচ্ছে, নবান্নের নির্দেশ পাওয়ার পরে ইতিমধ্যেই কেএমডিএ, পিডব্লুডি এবং সেচ দফতর থেকে জেলার আধিকারিকদের রাস্তাঘাট নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে। কোথায় রাস্তা কতটা খারাপ, কতটা মেরামত প্রয়োজন তার বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে হবে। তারপর দ্রুত যাতে মেরামতের কাজ শুরু করা যায় তার জন্যেই তৈরি থাকতে হবে আধিকারিকদের।

এ ব্যাপারে পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, রাস্তা খারাপ থাকলে আমরা প্রতিনিয়ত তার রিপোর্ট করি। যেহেতু এবার অতিবৃষ্টি হয়েছে তাই প্রতিদিনই রাস্তা কোথায় খারাপ হচ্ছে তার বিস্তারিত বিবরণ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠাচ্ছি। দ্রুত সেইসব রাস্তা সারাই করা হবে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More