প্রধানমন্ত্রীর বার্তার পরে আজ বৈঠক কৃষক সংগঠনগুলির, পরবর্তী কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক মাসের বেশি সময় ধরে দিল্লি সীমান্তে আন্দোলন চালাচ্ছেন কৃষকরা। কেন্দ্রের আনা তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করার দাবিতে এই আন্দোলন করছেন তাঁরা। এর মধ্যেই এবার ফের কৃষকদের বৈঠকে বসার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই বার্তার পরে ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলি।

জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ বৈঠকে বসতে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলি। প্রায় ৪০টি সংগঠন বসবে আলোচনায়। গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, কিছু মানুষ মিথ্যে কথা ছড়াচ্ছে। কৃষকদের সাহায্যের জন্য পিএম-কিষাণ প্রকল্পে আরও ১৮ হাজার কোটি টাকা ঘোষণা করেছেন মোদী।

শুক্রবার মোদী বলেন, গোটা দেশজুড়ে এই নতুন কৃষি আইনকে সমর্থন জানাচ্ছেন কৃষকরা। কিন্তু বিরোধীরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছে। তাদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে চালাচ্ছে তারা। নিজের বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন মোদী। কিষাণ প্রকল্পের টাকা বাংলার কৃষকদের কাছে পৌঁছতে না দেওয়ার জন্য মমতা সরকারকে দায়ী করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তাঁর সরকার সব সময় কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করতে তৈরি। তাই কারও কথায় কৃষকরা যাতে ভুল না বোঝে তার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও কৃষকদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, এক বছরের জন্য এই আইন চালু হোক। তারপরে যদি কৃষকদের মনে হয় তাদের ক্ষতি হচ্ছে তাহলে আইনে সংশোধনী আনতে তৈরি সরকার।

গত বৃহস্পতিবার কৃষক সংগঠনগুলি জানায়, সরকার তাঁদের দাবি নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। এভাবে কথার ফুলঝুরি না ফুটিয়ে সরকারের উচিত আমাদের দাবি মেনে নিয়ে কৃষি আইন প্রত্যাহার করা। অবশ্য সরকার বারবার আলোচনার বার্তা দিয়ে আসছে। এদিকে কৃষকরা এই বিক্ষোভে সব বিরোধী দলগুলিকে পাশে পেয়েছে। এর আগে পাঁচবার কৃষক ও সরকারের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি। এখন দেখার এদিনের বৈঠকে কৃষকরা কী সিদ্ধান্ত নেয়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More