রাফাল আসছে বাংলায়, এপ্রিলেই উত্তরবঙ্গের হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ল্যান্ড করবে ফরাসি জেট

1

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম দফায় রাফাল এসেছিল গত বছর জুলাইতে। দ্বিতীয় দফায় নভেম্বরে ও তৃতীয় দফায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে। পশ্চিম সেক্টরে হরিয়ানার অম্বালা বায়ুসেনা ঘাঁটির গোল্ডেন স্কোয়াড্রনে যোগ দিয়েছে সেইসব ফরাসি যুদ্ধবিমান। কিন্তু এবার ফ্রান্স থেকে যে রাফাল আসবে তার ঠাঁই হবে পশ্চিমবঙ্গে। এখন থেকেই প্রস্তুত হচ্ছে আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটি।

ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার পাইলটদের একটি দল ইতিমধ্যেই ফ্রান্সে গিয়ে রাফাল যুদ্ববিমানের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পূর্ব সেক্টরের স্কোয়াড্রন অর্থাৎ হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ১৮টি রাফাল রাখার মতো জায়গা রয়েছে।

India's Hasimara During the Doka La Standoff - bellingcat
হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটি

লাদাখ সংঘাতের আবহেই প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান এসেছে ভারতে। গত বছর ২৯ জুলাই পূর্ণ অস্ত্রসম্ভার-সহ ছ’টি রাফাল বিমান ভারতীয় বায়ুসেনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেগুলি হরিয়ানার অম্বালা বায়ুসেনা ঘাঁটির ‘গোল্ডেন অ্যারো (১৭ নম্বর) স্কোয়াড্রন’-এ যোগ দিয়েছে। লাদাখে পাঠাবার জন্য তৈরি করা হচ্ছে সেই যুদ্ধবিমানগুলিকে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তানের এফ-১৬, জেএফ-২০ ফাইটার জেট ও চিনের তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ এয়ারক্রাফ্ট চেংড়ু জে-২০-র মুখোমুখি মোকাবিলা করার মতো ক্ষমতা আছে রাফালের। চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত বাড়ছে, তাই এয়ার ডিফেন্সকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে ভারতীয় বায়ুসেনা। মিরাজ, সুখোই, মিগ ফাইটার জেট মোতায়েন রয়েছে সীমান্তে। পাঠানো হবে ফরাসি রাফাল ফাইটার জেটও।

পরের দফায় ফ্রান্স থেকে যে রাফাল আসবে তার প্রতিটির থেকে মিকা ও মেটিওর এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল ছোড়ার প্রযুক্তি রয়েছে। সেই সঙ্গেই রাফালের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপের ক্ষেপণাস্ত্র স্কাল্প। মেটিওর হল বিয়ন্ড ভিসুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। ওজন ১৯০ কিলোগ্রাম।  প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁত টার্গেট করতে পারে। ‘স্কাল্প’  হল লো-অবজার্ভর ক্রুজ মিসাইল। দৈর্ঘ্যে ৫.১ মিটার এবং ওজন প্রায় ১৩০০ কিলোগ্রাম। ৬০০ কিলোমিটার পাল্লা অবধি লক্ষ্যে টার্গেট করতে পারে এই মিসাইল।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.