অমিত শাহের নির্দেশ, দিল্লিতে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাড়াল আইসিএমআর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হঠাৎ করেই দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এই সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তায় কেন্দ্রও। আর তাই সংক্রমণ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিছুদিন আগেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআরকে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন অমিত শাহ। সেই নির্দেশ মতো টেস্ট বাড়িয়েছে আইসিএমআর।

গত ১৫ নভেম্বর দিল্লিতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, প্রতিদিন আরটি-পিসিআর টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও আইসিএমআরের যে মোবাইল ভ্যানগুলি শহরে ঘোরে তার সংখ্যাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, “অমিত শাহের নির্দেশের পরে আইসিএমআর আরটি-পিসিআর টেস্টের সংখ্যা প্রতিদিন ২৭ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩৭ হাজার ২০০ করা হয়েছে। ১৫ নভেম্বর দিল্লিতে ১২ হাজার ৫৫টি আরটি-পিসিআর স্যাম্পল নেওয়া হয়েছিল। ১৯ নভেম্বর ৩০ হাজার ৭৩৫টি আরটি-পিসিআর স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে।”

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন, দিল্লিতে সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের ডাক্তার ও মেডিক্যাল কর্মীদের উড়িয়ে নিয়ে আসতে। যদি খুব সংক্রমণ বাড়ে তাহলে প্লাজমা দান করার জন্য নতুন প্রোটোকল তৈরি করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দিল্লিতে উৎসবের মরসুমের পরে হঠাৎ করে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকারও।

শুধু দিল্লি নয়, দেশজুড়ে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১৩ কোটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে দেশে। তার মধ্যে শেষ ১০ দিনে ১ কোটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে টুইট করে বলা হয়েছে, “ভারত ১৩ কোটি নমুনা পরীক্ষা করে ফেলেছে। শেষ ১০ দিনে ১ কোটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।”

শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ২৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই অবশ্য মোট ৮৪ লাখ ৭৮ হাজার ১২৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অর্থাৎ এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৭ জন। ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.