দৈনিক সংক্রমণ ১২ হাজার, সুস্থতার হার বাড়ছে, ২৩ লাখের বেশি টিকাকরণ হয়েছে দেশে

1

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দৈনিক সংক্রমণ রেকর্ড করেছে দুদিন আগেই। গত বছর সেপ্টেম্বরে সেই ৯০ হাজার দৈনিক সংক্রমণের ধাক্কা কাটিয়ে ৯ হাজারে নেমেছে। গত কয়েকদিন ধরেই নতুন সংক্রমণের হার কম। আজও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৬৬৬ জন। ভাইরাস সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও কম। সংক্রমণে মৃত্যুও দুশোর নীচে।

করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা দ্রুত গতিতে কমছে। ডিসেম্বরে যেখানে ভাইরাস সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ছিল আড়াই লাখের বেশি, এখন তাই ১ লাখ ৭৩ হাজারে নেমেছে। অ্যাকটিভ কেসের হার ১.৬২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জনের। গত কয়েকদিনে সংক্রমণের মৃতের সংখ্যা দেড়শোর নীচে নেমেছে। মৃত্যু হারও কম ১.৪৪%।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এখনও অবধি ১৫৩ জনের শরীরে ব্রিটেন স্ট্রেন ছড়িয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে মোট ১৫৩ জনের শরীরে মিউট্যান্ট স্ট্রেন খুঁজে পাওয়া গেছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলেছে, দেশে এখনও নতুন স্ট্রেনের সংক্রমণ ছড়ায়নি। ব্রিটেন ফেরতদের শরীরেই নতুন স্ট্রেনের সন্ধান মিলেছে, তাঁদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

দেশে সুস্থতার হার অনেকটাই বেড়েছে। গত সাতদিনে দেশের ১৪৭টি জেলায় কোনও নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েনি। গত দু’সপ্তাহে অন্তত ১৮টি জেলায় কোনও নতুন সংক্রমণ নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে সংক্রমণের হার কমছে দেশে। এক কোটির বেশি করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন এর মধ্যেই। সুস্থতার হার প্রায় ৯৭ শতাংশ।

দেশে এখনও অবধি ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৯৭৯ জনের টিকাকরণ হয়ে গেছে। সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব ডক্টর মনোহর আগনানি বলেছেন, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকাগুলিতে সপ্তাহে চারদিন টিকাকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে গোয়া ও উত্তরপ্রদেশ সপ্তাহে দু’দিন টিকাকরণের কর্মসূচী রেখেছে, মিজোরাম চারদিন ও অন্ধ্রপ্রদেশে সপ্তাহে ৬ দিন টিকাকরণ হবে। শ্চিমবঙ্গে সোমবার, মঙ্গলবার, শুক্র ও শনিবার টিকা দেওয়ার হবে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.