জোড়া ফুলের দিকে পা বাড়িয়ে কারা, গোয়েন্দাগিরি শুরু ত্রিপুরা বিজেপির

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ত্রিপুরাতে তৃণমূলের সংগঠন এখনও তেমন ডানা মেলেনি। সবেমাত্র সলতে পাকানো শুরু হতেই সংঘাতের আবহ তৈরি হয়ে গিয়েছে উত্তর-পূর্বের ছোট্ট রাজ্যটিতে। সূত্রের খবর, এর মধ্যেই ত্রিপুরা বিজেপির নেতৃত্ব মণ্ডলে মণ্ডলে নির্দেশ পাঠিয়েছে, কোথায় কারা তৃণমূল করছে, তাঁর ডেটাবেস রাজ্য কমিটিতে দিতে।

জানা গিয়েছে, আগরতলা পুরনিগম এলাকার সবক’টি ওয়ার্ডে নির্দিষ্ট করে দু’জনকে নিয়োগ করেছে বিজেপি। তাঁদের কাজ, এলাকায় কারা তৃণমূল করছে বা চায়ের দোকান বা বাজারে তৃণমূলের পক্ষে কথা বলছে তার ‘ইনপুট’ নিয়ে দলকে জমা দেওয়া।

ত্রিপুরায় তৃণমূল দৌত্য শুরু করতেই কী কী হয়েছে তা সকলেরই জানা। গোটা পরিস্থিতি জানতে ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতি মানিক সাহাকে দিল্লি ডেকে পাঠিয়েছিলেন জেপি নাড্ডারা। শুক্রবারই দিল্লি থেকে আগরতলায় ফিরেছেন মানিকবাবু। তিনি যদিও, তৃণমূলকে ধর্তব্যের মধ্যেই ধরছেন না। তৃণমূল ইতিমধ্যেই বলেছে, বাংলার পর ত্রিপুরাতেও খেলা হবে। পাল্টা এদিন মানিক সাহা বলেন, “তৃণমূল তো একা খেলতে পারে না। আমরাও পারি।”
এদিনই ব্রাত্য বসু, আবু তাহের খান, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের মন্ত্রী সাংসদরা ত্রিপুরায় গিয়েছেন। তার মধ্যেই শুক্রবার আগরতলা শহরের রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন থেকে প্যারাডাইস চৌমুহনী পর্যন্ত বিরাট মিছিল করল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের উপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ তুলে মিছিল থেকে তৃণমূল ও সিপিএমকে হুঁশিয়ারি দেয় গেরুয়া শিবির।

যদিও বিজেপির মিছিলে ভিড় নিয়ে তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, কোভিড বিধি না মানার জন্য আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। আর বিপ্লব দেবের নাকের ডগায় তাঁর দলের কর্মীরাই কোভিড ছড়াল। এর বেলায় পুলিশ নীরব দর্শক।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.