প্রতিবাদ অব্যাহত ঢাকায়, পুড়ল পাক পতাকা, চলছে সভা, মিছিল

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঢাকার স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের পতাকা (pakistan) (flag)ওড়ানোর ঘটনা নিয়ে এখনও উত্তপ্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি(bangladesh)। গত সপ্তাহে ঢাকার মীরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশে তিন ম্যাচের সিরিজের ম্যাচ ছিল। সেখানে পাকিস্তানের পতাকা উড়তে দেখা যায়। ইমরান খানের দেশের জার্সি গায়ে অনেকে মাঠে যান। ওই ঘটনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার (sedition) সামিল বলে সরব হয়েছে বিভিন্ন দল। মুক্তিযুদ্ধের (freedom) (spirit) চেতনা রক্ষায় পাকিস্তানি ভাবাদর্শের ধারক-বাহকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ, লড়াই অব্যাহত  রাখার ডাক দিয়েছে ওই সংগঠনগুলি।

অতি সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-২০ ক্রিকেট সিরিজের খেলা চলাকালীন পাকিস্তানি পতাকা ও জার্সি গায়ে দর্শক গ্যালারিতে, পাকিস্তানি ভাবাদর্শে লালিত ভাড়াটে দর্শক পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ওড়ায় এবং জার্সি গায়ে দিয়ে দেখায়,  কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।

 

ক্রিকেট মাঠে সমর্থনের নামে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের পতাকা ওড়ানো ও জার্সি পরা পরিকল্পিত ষড়ষন্ত্র ও রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি। পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আজ বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের সভাপতি সাব্বাহ আলি খান কলিন্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় সভা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ, জাতীয় যুব জোট সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, বাংলাদেশ যুব আন্দোলন সহ-সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সৈকত, জাতীয় যুব ঐক্য সভাপতি খায়রুল আলম, বাংলাদেশে যুব মৈত্রীর সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, কায়সার আলম। সঞ্চালনা করেন যুব মৈত্রীর সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস।

নেতৃবৃন্দ বলেন, পাকিস্থানি খেলোয়াড়রা অনুশীলনের সময় ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তস্নাত বাংলার মাটিতে পতাকা পুঁততে পারে না। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান নিঃশর্ত ক্ষমা চায়নি। আমাদের লুন্ঠিত সম্পদ ফেরত দেয়নি। ’৭১ সালে এরা পরাজিত হলেও এখনও দেশে ওদের প্রেতাত্মারা সক্রিয় ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

তাঁরা আরও বলেন, পুরো ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দায় এড়াতে পারেন না। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী ক্ষোভ জানিয়ে একটা বিবৃতিও দেননি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে তলব করে জোরালো প্রতিবাদ জানানো। ভাড়াটে দর্শক যাঁরা সেইদিন গ্যালারিতে পাকিস্তানি পতাকা উড়িয়ে এবং জার্সি পরে দেখাল, তারা অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে অপরাধী। এখনও পর্যন্ত সেই দর্শকদের কাউকেই গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা হয়নি ,যা অত্যান্ত দুঃখজনক।

নেতৃবন্দ আরো বলেন, আওয়ামি লিগ সরকার ক্ষমতাসীন, মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী চলমান। সেই সময় এই জাতীয় পাকিস্তানি অপতৎপরতা জাতিকে হতাশ করেছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠায় দেশের মধ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে বিচারের আওতার আনতে হবে এবং পাকপ্রেমীদের বিরুদ্ধে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে জাতিকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ-প্রতিরোধের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। প্রতিবাদীরা পাকিস্তানের পতাকাও পোড়ান।

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.