বাংলার পঞ্চায়েত ভোটকে মনে করাচ্ছে ত্রিপুরার পুর নির্বাচন

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, ত্রিপুরায় অবাধে পুরভোট করার ক্ষেত্রে বিপ্লব দেব সরকারকে যথাযথ ভূমিকা নিতে হবে।
অবাধ ভোটের বদলে অবাধে লুঠ এবং নারকীয় সন্ত্রাস চলছে বলে বলে এদিন সকাল থেকে অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা।

অনেকের মতে, যেমন অবাধ ভোট হয়েছিল বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে। সে আঠারোর তৃণমূল জমানার পঞ্চায়েত হোক বা ২০০৩-এর বাম জমানার পঞ্চায়েত! ত্রিপুরার পুরসভা নির্বাচন মনে করাচ্ছে বাংলার পঞ্চায়েত ভোটকে। সিপিএম, তৃণমূল, কংগ্রেস এমনকি প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মনের দল তিপ্রা মথাও অভিযোগ করল, আগরতলা থেকে ধর্মনগর, কুমারঘাট থেকে সোনামুড়া— অবাধ লুঠ চলছে। বিজেপি বিধায়ক তথা বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা সুদীপ রায় বর্মনও বলেছেন, এ ভাবে ভয়ের পরিবেশ ভোট না করালেই পারতেন মুখ্যমন্ত্রী। ত্রিপুরায় গণতন্ত্র লুঠ হচ্ছে। বদনাম হচ্ছে বিজেপির। এদিন আবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্মদিন।

যদিও ত্রিপুরা বিজেপির তরফে মুখপাত্র নব্যেন্দু ভট্টচার্য বলেছেন, বুথে বুথে মানুষের লাইনই প্রমাণ করে দিচ্ছে উৎসবের মেজাজে ভোট হচ্ছে পাহাড়, সমতল সর্বত্র। বিরোধীরা মনগড়া অভিযোগ করে হারের লজ্জা ঢাকার চেষ্টা করছে।

তৃণমূলের তরফে একটি ভিডিও টুইট করে দাবি করা হয়েছে সেটি আগরতলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথের। সেখানে দেখা যাচ্ছে এক বৃদ্ধা বুথের ভিতরে ঢুকছেন। আই কার্ড দেখিয়ে হাতে কালি লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন ইভিএমের দিকে। তিনি যখন নিচু হয়ে বোতাম টিপতে যাবেন ওমনি একটি কালো শার্ট পরা ছেলে গিয়ে বোতামটা টিপে দিল। ওই মহিলা হতভম্ব। চুপচাপ বেরিয়ে এলেন তিনি।

সিপিএমের অভিযোগ, বিলোনিয়া, কুমারঘাট, আগরতলা-সহ প্রায় সর্বত্রই তাদের পোলিং এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি প্রার্থীরাও। এদিন সকালেই তৃণমূলের এক প্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ভোট লুঠের প্রতিবাদে দুপুরের আগেই নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেছে সিপিএম।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.