পার্থ ওয়ার্নিং বেল দিলেন, কল্যাণ কাণ্ডে কড়া তৃণমূল

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখে বলে কাজ হচ্ছিল না। তৃণমূলের মধ্যে বিবৃতি, পাল্টা বিবৃতির সংক্রমণ ওমিক্রনকেও ছাপিয়ে যেতে বসেছে। তখন শৃঙ্খলারক্ষার প্রশ্নে কড়া অবস্থান নিল তৃণমূল কংগ্রেস।

শৃঙ্খলরক্ষা কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মহাসচিব তথা এই কমিটির প্রধান পার্থ চট্টোপাধ্যায় কার্যত ওয়ার্নিং বেল দিয়ে দিলেন। স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, দলের মধ্যে না বলে যে নেতারা অন্য নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেবেন তাঁর বা তাঁদের বিরুদ্ধে পার্টির কাছে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করার সুপারিশ করবে কমিটি।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে অনেকে বিবৃতি পাল্টা বিবৃতি দিচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে মন্তব্য করছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আমি নিষেধ করেছিলাম, যে কোনও ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে। কিন্তু অনেকে শোনেননি।”

যাঁরা এত দিন একের পর এক মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাও দেখবে বলে জানিয়েছেন পার্থবাবু। তিনি আরও বলেন, “আমি বারবার বলেছি কোনও সমস্যা হলে দলের ভিতরে আলোচনা করুন। কিন্তু তা হয়নি।”

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পর তোলপাড় শুরু হয়েছে তৃণমূলে। কুণাল ঘোষ, অপরূপা পোদ্দাররা সরাসরি কল্যাণের সমালোচনায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আবার পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন কল্যাণ। কখনও সংবাদমাধ্যমে, কখনও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে। তরুণ প্রজন্মের অনেক নেতা আবার অভিষেকের স্তূতি গেয়েছেন। তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে কিছু না বললেও বুঝিয়ে দিয়েছেন মনোভাব কী। এই নেতাদের বিরুদ্ধে দল হয়তো পদক্ষেপ করতে পারবে না। কারণ তাঁরা কোনও নেতার বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। কেবল একজনের প্রশংসা করেছেন। তবে পার্থবাবু এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এ জিনিস থামাতে চায় দল। কোনও ভাবেই কলহ বরদাস্ত করা হবে না। যে তিনি যত বড় নেতাই হন না কেন!

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.