সনিয়া ও তাঁর সন্তানেরা কংগ্রেসকে দখলে রাখতে চান, ক্ষুব্ধ নেতাদের তোপ

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার কংগ্রেস (Congress) ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক নিয়ে আরও একবার পরিবারতন্ত্র টেনে খোঁচা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেছেন, ওটা আসলে পরিবার বাঁচাও ওয়ার্কিং কমিটি!
বিজেপি তো একথা অহরহ বলে। এতে তেমন নতুন কিছু নেই। কিন্তু এবার জি-২৩ এর বিক্ষুব্ধ নেতারাও ঘুরিয়ে সেই পরিবারতন্ত্রেরই অভিযোগ তুলছেন।

একাধিক বিক্ষুব্ধ নেতা এদিন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, “সনিয়া গান্ধী ও তাঁর দুই শিশু (পড়ুন রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী) কংগ্রেসকে নিজেদের দখলে রাখতে চান। তাই ছ’মাসের মধ্যে নতুন সভাপতি করার কথা বলেও সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন আবার বলা হচ্ছে সামনের বছর সেপ্টেম্বরে সেই প্রক্রিয়া হবে। এ পার্টি নিয়ে আর কী আশা করা যায়!”

ক্ষুব্ধ নেতারা আরও বলেছেন, মনমোহন সিংয়ের দশ বছরের ইউপিএ জমানাতেও পার্টি এবং সরকার ছিল সনিয়ার নিয়ন্ত্রণে। সেখান থেকে সর্বনাশের শুরু।

এদিন নিজের প্রারম্ভিক ভাষণে সনিয়া স্পষ্ট করে ক্ষুব্ধ নেতাদের বার্তা দিতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, “আমি পূর্ণ সময়ের সভাপতি।” কপিল সিব্বলদের মতো নেতাদের বক্তব্য, সনিয়া দলের আংশিক সময়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁরা। এদিন সেসবকেই কার্যত উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন অন্তর্বর্তী কংগ্রেস সভাপতি। যদিও তাতে ক্ষোভের আগুনে জল পড়েছে বলে মনে করছেন না রাজনৈতিক মহলের অনেকে।

পর্যবেক্ষকদের অনেকের এও বক্তব্য, যে গান্ধী পরিবার ছিল কংগ্রেসিদের আবেগকে পুঞ্জিভূত করার চুম্বক সেটাই যেন খান খান হয়ে যাচ্ছে জি-২৩ নেতাদের বিদ্রোহে। যা সরাসরি আঘাত হানছে নেহরু-গান্ধী পরিবারের ধারাবাহিক কর্তৃত্বে। যা বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। মাঝে এক আধবার সীতারাম কেশরির মতো সভাপতি হলেও তা ব্যতিক্রমই।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.