পুজোয় পাতে ইলিশ জুটবে?‌ বাংলাদেশের মুখ চেয়ে কলকাতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নামেই বর্ষা। খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ মাছ (Hilsa) ভাজা দিয়ে রসনাতৃপ্তির সুযোগ এখনও সেভাবে হল কই? তাই ইলিশের জন্য বাংলাদেশের মুখ চেয়ে কলকাতা। শহরের মাছ ব্যবসায়ীরা পুজোর আগে ইলিশের সরবরাহ পেতে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। রাজ্যে এ বছর ইলিশ খুবই কম হয়েছে। মায়ানমারের প্রজাতির ইলিশও প্রায় শেষ। এখনও বাংলাদেশ থেকে ইলিশ ঢোকেনি। তাই পুজোয় বাঙালির পাতে ইলিশ জুটবে তো?‌ এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ‌কলকাতার মাছ ব্যবসায়ীদের মাথায়।

গত বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সরকার মাছ ব্যবসায়ীদের কলকাতায় ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছিল। কলকাতার বিভিন্ন মাছের বাজার এখন সেই আশাতেই বসে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য আমদানি সমিতির সচিব সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলাদেশের ইলিশের জন্য অপেক্ষা করছেন। ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে অতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে কমছে। বাংলায় ইলিশের উৎপাদন ২০০১ সালে ৮০ হাজার টন ছিল। যা ২০১৭ সালে ১০ হাজার টনে নেমে এসেছে। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর ধরে এ রাজ্যে ইলিশের পরিমাণ কমছে। কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী কল্যাণ সমিতির সচিব বিজন মাইতি জানালেন, এবছর ১ হাজার টন ইলিশেরও ফলন হয়নি বাংলায়।

পুজোয় অন্যান্য বাজেট ইলিশের জন্য ছাঁটতেও রাজি ইলিশ প্রিয় বাঙালি। কিন্তু ইলিশে দেখাই তো নেই!‌ গত বছর পুজো উপলক্ষে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ এসেছিল বাংলাদেশ থেকে। এ বছরে তা কবে আসবে, এখনও জানা যাচ্ছে না। দিঘার মৎস্যজীবী সমিতির সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস বললেন, ‘‌এবছর পুজোয় ইলিশ মিলবে না বলেই মনে হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকেও ইলিশ আসার সম্ভবনা নেই বললেই চলে। কারণ সেখানেও মাছ নেই।’‌ ফ্রেজারগঞ্জের মাছ ব্যবসায়ী বিভাস কোলে জানালেন, এ বছর ইলিশের উপযুক্ত আবহাওয়া ছিল না। যে সময় হাওয়া ও বৃষ্টির প্রয়োজন ছিল, সে সময় তা না হওয়াতেই ইলিশ কম।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা সুখপাঠ

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More