ভাঙড়ে আব্বাসের দলের কর্মীর বাড়ি থেকে বোমা-বন্দুক উদ্ধার! ‘ষড়যন্ত্র’ বলছে আইএসএফ 

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাঙড়ে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির দল আইএসএফের এক কর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোমা, বন্দুক, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করল পুলিশ। সোমবার রাতে সিতুড়িতে ওই আইএসএফ কর্মীর জিয়ারুল মোল্লা ওরফে ঝন্টুর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। ঝন্টু পালিয়ে গেলেও এই ঘটনায় তার বাবা জলিল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ভাঙড়ের আইএসএফের নেতৃত্বের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে তাদের দলকে বদনাম করার জন্য এই ধরনের চক্রান্ত করছে তৃণমূল। স্থানীয় আইএসএফ নেতার কথায়, “ভাঙড়ের তৃণমূলের দুই সাধু পুরুষ রয়েছেন। যাঁরা অহিংসায় বিশ্বাস করেন। এক জন আরাবুল মোল্লা ও অন্যজন সওকত মোল্লা। তাঁরা যাঁদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছে, পুলিশ তাঁদেরকে বেছে ধরছে। আসলে ভাঙড়ে ভয় পেয়েছে তৃণমূল”।

ভাঙড়ের ডিএসপি তমাল সরকার জানিয়েছেন, ”পুলিশের কাছে গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়েছিল, যে সিতুড়িয়া গ্রামে একজন আইএসএফের কর্মীর বাড়িতে বোমা ও অস্ত্র মজুত রাখা হয়েছে। সেই শুনে আমরা অভিযান চালাই। সেখানে জলিল মোল্লা নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বোমা, বন্দুক ও অস্ত্র সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু জলিলের ছেলে জিয়ারুল ওরফে ঝন্টু পালিয়ে যায়।”

এই ঘটনার পরে ভাঙড়ে কাজদিয়া এলাকা থেকে আরও তিনজন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। সিতুড়িতে অভিযান চালানোর পর ভাঙড়কে নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলে ছিল পুলিশ। সেই সময় কাজদিয়া এলাকায় কয়েকজনকে জটলা করতে দেখা যায়। তাদের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে একটি বন্দুক ও কার্তুজ উদ্ধার হয়।

এই তিনজনই আইএসএফ কর্মী। তাদের তিনজনকেই বারুইপুর আদালতে তোলা হয়েছে মঙ্গলবার। পুলিশের দাবি, ভাঙড়ে বোমাবাজি সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল। ভোটের আগে এলাকাকে উত্তপ্ত করার জন্য এই সমস্ত অস্ত্র সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল। এদিন রাত হয়তো ভাঙড়ে বোমাবাজি করার চক্রান্ত করেছিল তারা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More