ফের বন দফতরে দুর্নীতির অভিযোগ, বনসৃজনের চারা সরবরাহে বেনিয়ম নিয়ে তদন্ত শুরু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বনসহায়ক পদে নিয়োগে কারচুপি হয়েছে বলে ভোট প্রচারে অভিযোগ তুলেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের তির ছিল প্রাক্তন বনমন্ত্রী, পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এবার বনসৃজন প্রকল্পে জেলায় জেলায় চারা গাছ সরবরাহে বিস্তর বেনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। যা নিয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

গত ২৮ মে বন উন্নয়ন নিগমের দু’জন আধিকারিকের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। চলতি মাসের ২৮ তারিখ নবান্নে রিপোর্ট জমা দেবে এই কমিটি।

জানা গিয়েছে গত ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে গ্রিন উইং প্রকল্পে এই চারা বিলির কথা ছিল। যে সময়ে এই বেনিয়ম হয়েছে বলে বলা হচ্ছে তখনও বনমন্ত্রী ছিলেন রাজীবই।

কী হয়েছে?
বলা হচ্ছে যে সংস্থাগুলিকে এর জন্য বরাত দেওয়া হয়েছিল তারা বরাদ্দকৃত চারা জেলায় জেলায় সরবরাহ করেনি। তা ছাড়া নার্সারির সঙ্গে যুক্ত নয় এমন সংস্থাকেও বরাত দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। গোটাটাই তদন্ত করছে কমিটি।

নতি সংস্থার প্রায় ৩০ কোটি টাকার বিল আটকে দিয়েছে বন দফতর। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগে তদন্ত হবে, নবান্নের ছাড়পত্র আসবে, তারপর টাকা দেওয়া হবে।

বনদফতর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে এই ধরনের প্রকল্পের জন্যই টেন্ডার ডাকা হবে। তার আগে বাংলা, হিন্দি-সহ চারটি ভাষায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে সংবাদমাধ্যমে।

আমফানের সময়ে ভেঙে পড়া গাছ বিক্রি নিয়েও বনদফরের গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। এখনও বহু গাছ বিক্রি হয়নি। নতুন বনমন্ত্রী এ ব্যাপারে দফতরকে সময় বেঁধে দিয়ে ঝড়ে পড়া গাছ বিক্রি করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, শপথগ্রহণের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক করেই জ্যোতিপ্রিয় গিয়েছিলেন অরণ্য ভবনে। সেদিনই সচিব সহ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করে বলেছিলেন, যা অনিয়ম হয়েছে সেসবের দ্রুত তদন্ত করতে হবে। এক মাস কাটতে না কাটতেই চারা দুর্নীতি নিয়ে বড় অভিযোগ সামনের এসে গেল।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More