মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণে ব্রাত্য থাকতে পারেন বসু, কারণটা দুর্ভাগ্যের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয়ের হ্যাট্রিক হয়েছে তাঁর। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভায় এ বার গোড়া থেকে নাও দেখা যেতে পারে তাঁকে।

নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকে তৃণমূলের পাশে ছিলেন ব্রাত্য বসু। পরে এগারো সালে প্রথম বার ভোটে জিতেই মন্ত্রী হয়েছিলেন ব্রাত্য। সে বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে দমদম কেন্দ্রে প্রার্থী করেন। তাঁর লড়াই ছিল কঠিন। কারণ ডিলিমিটেশনের জন্য হাসনাবাদ কেন্দ্র অবলুপ্ত হয়। সিপিএম নেতা গৌতম দেব সেই কেন্দ্র ছেড়ে এসে দাঁড়ান দমদমে। কিন্ত প্রবল বাম বিরোধী হাওয়ায় ব্রাত্যর কাছে হারতে হয় তাঁকে।

পাঁচ বছর পর ষোলো সালের ভোটে জিতেও ব্রাত্য মন্ত্রী হন। যদিও দফতরে তাঁকে বেশি দেখা যেত না বলে অভিযোগ। বরং অনেকটা সময় থিয়েটার তার কর্মশালা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তবে এ বার ভোটে তৃণমূলের প্রচারে তাঁকে অতিশয় সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়।

এ হেন ব্রাত্য বসু এবারও মন্ত্রী হবেন বলে অনেকে মনে করছিলেন। কিন্তু গত চার দিন ধরে ব্রাত্য কোভিডে ভুগছেন। আপাতত তিনি কালিন্দির বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। ফলে বিধানসভায় বিধায়ক হিসাবেও শপথ নিতে পারেননি তিনি। সোমবার মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হবে। গত বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা শপথ নিয়েছেন। এ বার শপথ নেওয়ার কথা বাকিদের। কিন্তু কোভিডের কারণে সেই শপথ অনুষ্ঠানে ব্রাত্যর না থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

ষোল সালের ভোটের পর রাজভবনে যখন মন্ত্রীদের তালিকা পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই তালিকায় নদিয়ার উজ্জ্বল বিশ্বাসের নাম লিখতে ভুলে গিয়েছিলেন দিদি। পরে তিনি বলেছিলেন, ওকে মন্ত্রী করে আনব, চিন্তা নেই। কিন্তু উজ্জ্বল মন্ত্রী হয়েছিলেন আরও প্রায় দেড়-দু’বছর পর। তবে ব্রাত্যর বিষয়টি তেমন নয়। প্রথম দফায় তিনি মন্ত্রী না হলে কবে তাঁর মন্ত্রিসভায় সামিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে এখন সেটাই দেখার।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More