মুকুল রায়কে রাজ্যসভায় পাঠাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উচ্চকক্ষে যশবন্তও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের নেতারা বলেন, দিদি কারও উপকার ভোলেন না। এক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র বিরোধিতা করেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কিন্তু পরে সেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেই সসম্মানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী করেছেন মমতা। কারণ, ৮৪ সালে মমতার প্রথম বার লোকসভায় কংগ্রেস প্রার্থী হওয়ার জন্য সুব্রতবাবুর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

সূত্রের খবর, তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের পর মুকুল রায়ের পুনর্বাসনও তাই কেবল বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে সীমিত নাও থাকতে পারে। বরং রাজ্যসভায় ফের মনোনয়ন পেতে পারেন মুকুলবাবু।
বর্তমানে রাজ্যসভায় বাংলা থেকে তথা তৃণমূলের দুটি আসন শূন্য রয়েছে। দীনেশ ত্রিবেদী তৃণমূল ছাড়ার ফলে একটি আসন শূন্য হয়েছে। ওই আসনে ৯ অগস্ট ভোট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

তৃণমূল শীর্ষ সূত্রে খবর, শেষ মুহূর্তে যদি কৌশলের বদল না হয় তা হলে ওই আসনে প্রাক্তন বিজেপি নেতা তথা বাজপেয়ী জমানার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন মানস ভুইঞাঁ। বিধানসভা ভোটে জিতে মানস রাজ্যে জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ায় ওই আসন শূন্য হয়েছে। তবে ওই আসনের জন্য এখনও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, মুকুল রায়কে ওই আসনে প্রার্থী করতে পারেন দিদি।

বুধবার একুশে জুলাইয়ের সভার পর আগামী সপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। দিল্লিতে দলের সমস্ত সাংসদদের নিয়ে বৈঠকও ডেকেছেন তৃণমূলনেত্রী। ওই বৈঠকে সাংসদরা ছাড়া যশবন্ত সিনহা ও মুকুল রায়কেও ডাকা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিধানসভায় পিএসি চেয়ারম্যান ছিলেন মানস ভুইঞাঁ। পরে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠান দিদি। এ বার মুকুল রায়ের ক্ষেত্রেও তারই পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে খবর।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More