টানা লকডাউনের বিরোধিতায় শুভেন্দু, রাজ্যের ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ বিরোধী দলনেতার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় জনজীবনের লাইফলাইন বলা হয় লোকাল ট্রেনকে। কলকাতা ও দুই চব্বিশ পরগনার একাংশে এক্ষেত্রে মেরুদণ্ড হল মেট্রো। বিধিনিষেধে অনেক কিছু খুললেও স্টাফ স্পেশাল ছাড়া লোকাল ট্রেন চলছে না। মেট্রোর সংখ্যা বাড়লেও স্বাভাবিক নয়। এহেন পরিস্থিতির বিরোধিতা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বিধানসভায় এদিন শুভেন্দু অধিকারী সরকারের আয় নিয়ে বলেন, বিরোধী হিসেবে আমাদের কর্তব্য অর্থবিলের ত্রুটি গুলি তুলে ধরা। রাজস্বের ফাঁকফোকর আটকাতে পারলেই উন্নয়নে সুবিধা হবে। দফায় দফায় করোনা সংক্রমণ আর লকডাউনের কারণে রাজ্যের কর্মসংস্থান, জিডিপির বৃদ্ধি সব থমকে গিয়েছে। পরিবহণ আর শিল্প ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে রাজ্যের মাথায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা ছিল। তা এখন ৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। দিন দিন রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও শোচনীয় হচ্ছে। সেদিকেই নজর দেওয়ার কথা এদিন বলেছেন বিরোধী দলনেতা।

লোকাল ট্রেন স্বাভাবিক করার দাবিতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রককে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ তথা বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। লোকাল ট্রেন পুরো মাত্রায় চালানোর দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভও হয়েছে। সোনারপুর স্টেশনে যে ঘটনা ঘটেছিল তাও ভোলার নয়।

অনেকের মতে, গণ পরিবহণের অন্যতম শিরদাঁড়া লোকাল ট্রেন চালু করার বিষয়ে রাজ্য সরকারের উপরে আরও চাপ বাড়ল। এই বিধি বলবৎ থাকবে ১৫ জুলাই পর্যন্ত। এখন দেখার পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেয় নবান্ন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More