রাজধানী এক্সপ্রেস পণবন্দি: তৃণমূলের ছত্রধরের নাম এনআইএর চার্জশিটে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০০৯ সালে রাজধানী এক্সপ্রেসকে (Rajdhani Express) পণবন্দি করার ঘটনায় একদা জনসাধারণের কমিটির নেতা তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্য ছত্রধর মাহাতোর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল জাতীয় তদন্ত এজেন্সি।

বৃহস্পতিবার এনআইএ বিশেষ আদালতে ৫০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে। তাতে ছত্রধর-সহ মোট ১৩ জনের নাম রয়েছে। রয়েছে পুলিশি সংঘর্ষে নিহত হওয়া মাওবাদী নেতা কিষেণজির নামও।

সূত্রের খবর, ওই চার্জশিটে এনআইএ স্পষ্ট করে লিখেছে, জেলবন্দি অবস্থায় ছত্রধর মাহাতো রাজধানী এক্সপ্রেসকে পণবন্দি করার ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। তাঁর প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা ছাড়া সেই সময়ে ওইরকম সংগঠিত ভাবে জঙ্গলমহলে এত বড় ঘটনা ঘটা সম্ভব ছিল না।

এনআইএ তাদের চার্জশিটে লিখেছে, মোট ৭৩ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করেছে তারা। গত কয়েক মাস ধরেই এনআইএ একাধিক বার ছত্রধরকে জেরা করেছে। কোভিড পরিস্থিতিতে ছত্রধর লালগড় থেকে কলকাতায় আসতে পারবেন না বলে এনআইএ আধিকারিকরা শুধু তাঁকে জেরা করবেন বলে শিলদায় বিশেষ ক্যাম্প করেছিলেন। যদিও তারপরেও একাধিকবার হাজিরা এড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল। শেষমেশ আদালতের নির্দেশেই ছত্রধরকে হাজিরা দিতে হয় জাতীয় তদন্ত সংস্থার আধিকারিকদের সামনে।

এই মামলায় মাঝে গৃহবন্দি হওয়ার আবেদন জানিয়েও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ছত্রধর। কিন্তু আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। ২০০৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। রাজধানী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের পণবন্দি বানানোর পাশাপাশি সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতোকে খুন করারও অভিযোগ ছিল ছত্রধরের বিরুদ্ধে। এই জড়া মামলারই তদন্ত করছিল এনআইএ।

যদিও ছত্রধরের বক্তব্য, তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য কমিটির সদস্য করার পরেই বিজেপি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এনআইএকে ব্যবহার করছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More