লখিমপুর-কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি আজ সুপ্রিম কোর্টে, শুনবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লখিপুরের (Lakhimpur) ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার সকালে এই মামলা শুনবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামাণা।

লখিমপুরের খেরিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়ির তলায় পিষে চার কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় চলছে দেশজুড়ে। ওই ঘটনায় চার কৃষক-সহ মৃত্যু হয়েছে মোট আট জনের। এই ঘটনা নিয়ে উত্তাল উত্তরপ্রদেশ-সহ গোটা দেশের রাজনীতি। দেশজুড়ে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট অবধি। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্বতঃপ্রণোদিত (suo moto case) হয়ে হিংসার ঘটনা বিচার করে দেখতে মামলার শুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ সকালেই এই মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি এনভি রামাণার নেতৃত্বাধীন বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রের এসইউভির তলায় চাপা পড়ে অন্তত চারজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি প্রতিবাদী কৃষকদের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্র কৃষকদের ওপর দিয়ে গাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার ভিতরেই ছিলেন। যদিও মন্ত্রীর ছেলে অভিযোগ খারিজ করেছেন। তাঁরা ঘটনাস্থলে ছিলেনই না বলে দাবি করেছেন উভয়েই।

মিডিয়ার সামনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও তাঁর ছেলে দাবি করেছেন, তাঁদের কনভয় যাচ্ছিল রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যকে অভ্যর্থনা জানাতে। লখিমপুর পৌঁছনোর আগেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি ছিল সেখানে। বহু মানুষের জমায়েত ছিল। তাঁদের গাড়ি দেখেই পাথর ছুড়তে শুরু করে কয়েকজন। গাড়ি ঘিরে ফেলে তারা। ইট, পাথরের ঘায়ে গুরুতর জখম হন ড্রাইভার হরিওম মিশ্র। মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকে তাঁর। স্টিয়ারিংয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তিনি। যারা পাথর ছুড়ছিল তাদের গিয়ে ধাক্কা মারে গাড়ি।

সোমবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে লখিমপুর-খেরিতে যেতে দেয়নি পুলিশ। মঙ্গলবার তাঁর দাদা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি দিয়ে কংগ্রেস জানিয়েছিল, রাহুল সহ কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল লখিমপুর-খেরিতে যেতে চায়। একইসঙ্গে চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, অন্যায্যভাবে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে আটকে রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকার চিঠি পাওয়ার পরেই জানিয়ে দেয়, রাহুলকে লখিমপুরে যেতে দেওয়া হবে না। সেখানে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকাসুখপাঠ

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.