তৃণমূল ত্রিপুরায় পোলোতে বসে চলবে না: সুস্মিতা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেওয়ার পরেই তিনি বলেছিলেন, “আমি সংগঠনের লোক। ওটাই এতদিন করে এসেছি। তৃণমূলেও সেটাই করব।”

সেই তিনি প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের মেয়ে সুস্মিতা দেব (Susmita Dev) ত্রিপুরার সংগঠন গোছানোর ব্যাপারে জানিয়ে দিলেন তাঁর ভাবনার কথা। বৃহস্পতিবার আগরতলার পোলো টাওয়ার্স হোটেলে বসে সুস্মিতা বলেন, “ত্রিপুরার তৃণমূলের সংগঠন পোলোতে বসে চলবে না। আমরা জেলায় জেলায় যাব। বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনের বিস্তারই লক্ষ্য।”

বাংলায় উপনির্বাচন নিয়ে হেলদোল নেই কেন, জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

তিনি এও বলেন, জেলা বা ব্লক স্তরের নেতারা ছুটতে ছুটতে রাজধানী আগরতলায় আসতে হবে না। নেতারা পৌঁছে যাবেন তাঁদের কাছে।

অর্থাৎ বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, মেঠো কায়দায় সংগঠন চলবে। তিনি বলেছেন, হেডকোয়ার্টারে পরিকল্পনা হতে পারে। কিন্তু সেখান থেকে সংগঠন চলে না। সংগঠন করতে হলে নীচে নামতে হবে। আমি সেটাই করব।

আগরতলার একমাত্র পাঁচতাঁরা হোটেল পোলো টাওয়ার্সকে কার্যত বেস ক্যাম্প করেছে তৃণমূল। বাংলা থেকে যে নেতামন্ত্রীরা ত্রিপুরায় যাচ্ছেন তাঁরা গিয়ে উঠছেন এই হোটেলেই। অনেকে আবার পোলোকেই ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য দফতর বলে টিপ্পনি করতে শুরু করেছেন। হতে পারে সেসব বিবেচনা করেই সুস্মিতা বলেছেন, সংগঠন পোলোতে বসে চলবে না।

সন্তোষ-কন্যা আরও বলেন, তিনি জেলা সভাপতি বা ব্লক সভাপতি কারা হবেন তা ঠিক করবেন না। নীচে নেমে সমীক্ষা করবেন। তারপর প্রতিটি ব্লক ও জেলা সভাপতি কাদের করা যায় তার তালিকা জমা দেবেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। তিনিই চূড়ান্ত করবেন সভাপতি কারা হবেন।

সুস্মিতার এ হেন সংগঠন পরিকল্পনা সম্পর্কে ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতি মানিক সাহা বলেছেন, “ওঁদের স্বাগত জানাচ্ছি। ওঁরা যদি পারেন বুথ স্তরে সংগঠন করতে পারেন করুন। তারপর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।”

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.