সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমাকে প্রতীক দিয়েও ফিরিয়ে নিল দল, ৬৮-তে সুদর্শনা? জল্পনা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা পুরভোটের মুখে বড় সমস্যা তৃণমূলের অন্দরে। ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে তনিমা চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে টিকিট দেওয়া নিয়ে ঘনিয়েছে দলীয় কোন্দল। প্রয়াত তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন এই তনিমা চট্টোপাধ্যায়। দলের একাংশের অভিযোগ, এই ওয়ার্ড থেকে আসলে দাঁড়ানোর কথা ছিল সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়ের।

পুরভোটে তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা নিয়ে গোড়া থেকেই গোলমাল চলছে। একে তো প্রথমে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করতে পারেনি তারা। তার পরে যা প্রকাশ হয়েছে, তাতেও রয়েছে অসঙ্গতির অভিযোগ।

আজ, রবিবার ছিল দলীয় প্রার্থীদের নমিনেশন ফাইল করার আগে পার্টি থেকে প্রতীক ইস্যু করার দিন। দেবাশিস কুমারের দফতর থেকে এই প্রতীক তথা কাগজ দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রার্থী তনিমা চট্টোপাধ্যায়কেও কাগজটি দেওয়াও হয়।

কিন্তু দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তনিমা সিঁড়ি দিয়ে নামার সময়ে ফের তাঁকে আটকানো হয়, বলা হয় কিছু সমস্যা রয়েছে, কাগজ ফেরত দিতে হবে। কাগজ ফেরত দিয়ে চলেও আসেন তিনি।

এর পরেই জল্পনা ঘনিয়েছে, তনিমা নয়, সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়কে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হতে পারে এই ওয়ার্ড থেকে। ২০১৫ পর্যন্ত ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন সুদর্শনা। এবার শোনা যায়, সুদর্শনাকে দাঁড় করানো হয়েছিল ৬৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। অথচ তৃণমূলের যে প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সুদর্শনার নাম নেই। যদিও কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, তনিমা চট্টোপাধ্যায়ের নাম থাকলেও, সুদর্শনাকেই প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হবে ওই ওয়ার্ড থেকে।

এ বিষয়ে সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘আমি কিছুই জানতাম না। প্রার্থী করার ব্যাপারে আমার সঙ্গে কোনও কথাও বলা হয়নি। আমি টেলিভিশনে দেখে জানতে পেরেছি হঠাৎ। পরে আমায় জানানো হয় আমার নাম আছে। এটা কেন হল আমি জানি না, আমি একটু অবাকই হলাম। এবার মানুষ যা বলবেন তাই হবে। মানুষকে নিয়েই দল।’

তৃণমূলের কেন, কোনও রাজনৈতিক দলেই এমনটা আগে ঘটেনি বলেই মনে করছেন রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.