উচ্চমাধ্যমিক মূল্যায়ন নিয়ে ক্ষুব্ধ বিবৃতি প্রকাশ বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বাদশ শ্রেণির লিখিত পরীক্ষা না হওয়ার জন্য মাধ্যমিক এবং একাদশ শ্রেণিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে যে মূল্যায়ন হয়েছে পড়ুয়াদের, তাতে দ্বাদশ শ্রেণির সামগ্রিক ফলাফল মারাত্মক বিঘ্নিত হয়েছে বলে দাবি তুলল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। ফল প্রকাশের পরে একটি বিবৃতি জারি করে তারা একথা জানিয়েছে।

শিক্ষক সমিতির মতে, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মান মাধ্যমিক স্তরের থেকে বহুগুণ বেশি। সেই কারণেই রাজ্যে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক দুটি পৃথক বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার প্রতিটি স্তরের বিষয়ের কাঠিন্য, প্রশ্নের প্যাটার্ন, প্রশ্নের মান, মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাই অধিকাংশ পড়ুয়া মাধ্যমিক স্তর থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে একাদশ শ্রেণিতে যে বিরাট পরিসরের পাঠক্রম নিয়ে অগ্রসর হয়, তার জন্য একাদশে খুব ভাল মানের ফল কোন পড়ুয়াই করে উঠতে পারে না। এখন সেই একাদশের ফলের ৬০%-এর ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণির ফল নির্ণয় ঠিক নয়।

তারা আরও জানান, একাদশ শ্রেণির যে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো গত বছর অসমাপ্ত ছিল, গণনার সময় সেই বিষয়ের পরীক্ষার নম্বরকে অন্য পদ্ধতির দ্বারা ক্যালকুলেশন করে তার ওয়েটেজ এই বছরের জন্য কার্যকর করা হয়েছে। অর্থাৎ দু’বছর ধরে একজন পরীক্ষার্থী একটা বিষয়ে তার সক্ষমতা সরাসরি লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করার কোনও সুযোগই পেল না।

উদাহরণস্বরূপ তারা জানিয়েছেন, ধরা যাক, একজন পরীক্ষার্থী পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন– এই দুই বিষয়ে সবচেয়ে ভাল পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। ঘটনাচক্রে একাদশ শ্রেণির গণিত, বাংলা, ইংরেজি পরীক্ষা তার মনের মতো হয়নি। এখন একাদশ শ্রেণিতে পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন উভয় পরীক্ষাই বাতিল হয়। ফলে সেই পরীক্ষার্থী একাদশ শ্রেণির যে তিনটি পরীক্ষা হয়েছে তাতে তেমন ওয়েটেজও পেল না, আবার নিজের পছন্দের বিষয়ে ব্যুৎপত্তি যাচাইয়ের সুযোগও পেল না। উপরন্তু পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন বিষয়ে এমন নম্বর রইল, যা তার আগ্রহের সঙ্গে আদৌ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভাল কলেজে পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়ার সুযোগও সে পাবে না।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু বলেন, “সবচেয়ে বড় কথা, একাদশ শ্রেণির নম্বরের ভিত্তিতে যে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে, তার ক্ষীণতম সম্ভাবনাও একাদশের পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদের জানানো হয়নি। ফলে একজন পরীক্ষার্থীর অজ্ঞাতসারে তার সঠিক সক্ষমতার মূল্য প্রকাশ করছে না এমন বিষয়ের নম্বর দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির একজন পরীক্ষার্থীর একটি বিষয়ের নম্বর গণনা করা হচ্ছে, এটা শিক্ষাবিজ্ঞানের পরিপন্থী।”

প্রসঙ্গত, এবছরের উচ্চমাধ্যমিকের মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি মাধ্যমিকের মতোই। ৫০০-র মধ্যে ৪৯৯ অর্থাৎ সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া রুমানা সুলতানাকেও ‘প্রথম’ হিসেবে ঘোষণা করতে রাজি হয়নি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সেই অর্থে প্রথম-দ্বিতীয়র তালিকা ঘোষিত হয়নি। তবু প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী পড়ুয়াদের নাম সামনে এসেছে।

৪৯৯ নম্বর পেয়েছে রুমানা সুলতানা, মুর্শিদাবাদ
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে সখী কুণ্ডু, বাঁকুড়া
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে সোহেল মল্লিক, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে অর্ণব সরকার, আলিপুরদুয়ার
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে বঙ্গাব্দ দাস, বীরভূম
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে সৌতিক কুণ্ডু, বাঁকুড়া
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে মেঘা মল্লিক, বাঁকুড়া
৪৯৮ নম্বর পেয়েছে সাবর্ণী চ্যাটার্জী, বীরভূম
৪৯৭ নম্বর পেয়েছে সৌরভ নন্দী, বীরভূম
৪৯৬ নম্বর পেয়েছে স্বর্ণাভ দাস, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৬ নম্বর পেয়েছে সায়ন পাঠক, বাঁকুড়া
৪৯৬ নম্বর পেয়েছে অস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঁকুড়া
৪৯৫ নম্বর পেয়েছে অঙ্কণ মাইতি, কলকাতা
৪৯৫ নম্বর পেয়েছে কৌশজিৎ দত্ত, কলকাতা
৪৯৫ নম্বর পেয়েছে সায়ক মণ্ডল, পূর্ব বর্ধমান
৪৯৫ নম্বর পেয়েছে শাহিনুর রহমান, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে কৌস্তুভ দে, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে চয়ন প্রামাণিক, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে বর্ণদীপ বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে সাগ্নিক রায়, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে দীপ ঘোষ, পূর্ব বর্ধমান
৪৯৪ নম্বর পেয়েছে অমৃতা ঘোষ, পশ্চিম বর্ধমান
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে অদিতি শিট, বাঁকুড়া
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে অঙ্কিতা দে, কোচবিহার
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে ইশিতা নন্দী, বাঁকুড়া
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে পার্বণ বিশ্বাস, বাঁকুড়া
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে নিশান্তিকা চৌধুরী, বাঁকুড়া
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে তৌসিফ রহমান, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে ঋতব্রত রায়, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯৩ নম্বর পেয়েছে স্যমন্তক জানা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
৪৯২ নম্বর পেয়েছে সুদীপ্তা ধবল, বাঁকুড়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে অস্মিতা মণ্ডল, বাঁকুড়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য, পূর্ব বর্ধমান
৪৯২ নম্বর পেয়েছে সত্যজিৎ রায়, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯২ নম্বর পেয়েছে প্রীতম চক্রবর্তী, মুর্শিদাবাদ
৪৯২ নম্বর পেয়েছে বৈদুর্য্য ভট্টাচার্য, নদিয়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে শুভশ্রী ঘোষ, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯২ নম্বর পেয়েছে ঋষভ সাহা, আলিপুরদুয়ার
৪৯২ নম্বর পেয়েছে দীপ্তি পাল, পশ্চিম বর্ধমান
৪৯২ নম্বর পেয়েছে পুষ্পল হাজরা, বীরভূম
৪৯২ নম্বর পেয়েছে সায়ন্তন বসাক, দক্ষিণ দিনাজপুর
৪৯২ নম্বর পেয়েছে অভীপ্সা মণ্ডল, বাঁকুড়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে কবিতা পাণ্ডা, বাঁকুড়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে সৌমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, পূর্ব বর্ধমান
৪৯২ নম্বর পেয়েছে অনন্যা পুরকায়েত, দার্জিলিং
৪৯২ নম্বর পেয়েছে বিতান চন্দ, আলিপুরদুয়ার
৪৯২ নম্বর পেয়েছে মৃগাঙ্ক সেন, কোচবিহার
৪৯২ নম্বর পেয়েছে শিবাশিস মুখোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান
৪৯২ নম্বর পেয়েছে দেবস্মিতা পাত্র, বাঁকুড়া
৪৯২ নম্বর পেয়েছে সুপর্ণা সাহু, পশ্চিম মেদিনীপুর
৪৯২ নম্বর পেয়েছে উপায়ন চ্যাটার্জী, কলকাতা
৪৯২ নম্বর পেয়েছে শ্রেয়া সামন্ত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
৪৯১ নম্বর পেয়েছে সুতপা সিনহা মহাপাত্র, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে শ্রেয়া মুসিব, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে দেবশ্রুতি চক্রবর্তী, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে সুদীপ্ত বাগ, পূর্ব বর্ধমান
৪৯১ নম্বর পেয়েছে রাহুল ঘোড়ুই, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে জাগৃতি মিশ্র, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে সৃজনী ঘোষ, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে ক্যামেলিয়া রায়, উত্তর দিনাজপুর
৪৯১ নম্বর পেয়েছে শুভ্রদীপ মাইতি, পূর্ব মেদিনীপুর
৪৯১ নম্বর পেয়েছে চৈতালি দেওয়ানশি, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে রিমা চৌধুরী, বাঁকুড়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে অরিত্র বিশ্বাস, নদিয়া
৪৯১ নম্বর পেয়েছে আবির তালুকদার, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯১ নম্বর পেয়েছে রত্নদীপ মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯১ নম্বর পেয়েছে সুহাসিতা মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯১ নম্বর পেয়েছে মৈনাক সাহা, নদিয়া
৪৯০ নম্বর পেয়েছে অঙ্কিতা মণ্ডল, পূর্ব বর্ধমান
৪৯০ নম্বর পেয়েছে রাকেশ মালাস, পশ্চিম মেদিনীপুর
৪৯০ নম্বর পেয়েছে সৌভিক সুতার, উত্তর ২৪ পরগনা
৪৯০ নম্বর পেয়েছে রাতুল তরফদার নদিয়া

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.