সাত বছর পর ফাইনালে কেকেআর, ধোনিদের বিরুদ্ধেও কি ত্রিপাঠী-ম্যাজিক, ফুটছেন নাইটরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১ আইপিএলের ফাইনালের টিকিট পেয়ে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)। বুধবার মহাষ্টমীর রাতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে তিন উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে তারা। এবার কেকেআরের সামনে চেন্নাই। আইপিএলের ট্রফি আর মর্গ্যানদের মাঝে এখনও শুধু দাঁড়িয়ে আছে ধোনির দল।

দুরন্ত সুনীল ছেত্রীর জোড়া গোলে সাফের ফাইনালে ভারত

২০১২ সালে প্রথমবার আইপিএল জিতেছিল কলকাতা। সেসময়েও প্রতিপক্ষ ছিল ধোনির চেন্নাই। গৌতম গম্ভীরের অধিনায়কত্বে সে জয়ের স্বাদ আজও অমলিন। তারপর ২০১৪ সালে পাঞ্জাবকে হারিয়ে আবার আইপিএলের শিরোপা পায় গম্ভীরের দল। এত বছরের চেষ্টা শেষে আবার ফাইনালের দরজা খুলেছে নাইটদের জন্য। শুক্রবারই আইপিএল ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে কেকেআর।

ফাইনালে অবশ্যই চোখ থাকবে কেকেআর শিবিরের নতুন হিরো রাহুল ত্রিপাঠীর উপর। বুধবার রাতে দিল্লির বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ যখন প্রায় হেরে যেতে বসেছিলেন মর্গ্যানরা, তখন এই ত্রিপাঠীই ত্রাতা হয়েছিলেন ব্যাট হাতে। এক বল বাকি থাকতে জোরদার ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ কলকাতার পকেটে পুড়েছিলেন তিনিই। মহাষ্টমীর এই হিরোর উপর বাড়তি আশা থাকবে ফাইনালেও।

কেকেআর ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে সমর্থক, সকলে বরাবরই একটি কথা প্রচার করে এসেছেন, কলকাতা তারকা খেলোয়াড় নিয়ে খেলে না, তারা তারকা খেলোয়াড় তৈরি করে। কেকেআরের জার্সিতে জন্ম নেয় ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ তারকারা। মহারাষ্ট্রের রাহুল ত্রিপাঠীকেও তেমনভাবে আবিষ্কার করে ফেলেছে কেকেআর। ফাইনালেও যদি ব্যাট হাতে ক্যারিশ্মা তিনি দেখাতে পারেন, তবে জাতীয় দলের নির্বাচকদের নজরে পড়বেন, বলাই বাহুন্য।

অন্যদিকে মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই বরাবরই তারকাখচিত দল। আইপিএলে সিএসকে-র পূর্ব রেকর্ডও দুর্দান্ত। ২০১০, ২০১১ এবং ২০১৮ সালে তিন তিন বার আইপিএল জিতেছে তারা। ফাইনালেও উঠেছে প্রায় প্রতিবারেই। তাই শুক্রবারের ফাইনালে চেন্নাই ফেভারিট, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। পাশাপাশি গতকালের ম্যাচে নাইটদের প্রদর্শনও দলকে চিন্তায় রাখবে। দিল্লির বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ম্যাচ হাতের মুঠোয় ছিল মর্গ্যানদের। তবে শেষদিকে মাত্র ৬ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা, প্রবল চাপের মুখে ত্রিপাঠী ত্রাতা না হলে ফাইনাল খেলা হত না কেকেআরের। এখন দেখার শুক্রবার বাইশ গজে বাজিমাত করে কোন দল।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More