অর্থনীতিতে যুগ্মভাবে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার অর্থনীতিতে নোবেল প্রাপকদের নাম ঘোষণা করল নোবেল কমিটি। এবছর যুগ্মভাবে ওই সম্মান পেয়েছেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল আর মিলগ্রোম ও রবার্ট বি উইলসন। তাঁরা গবেষণা করেছেন ‘কমার্শিয়াল অকশনস’-এর ওপরে। বিশেষত যে পণ্য ও পরিষেবাগুলি প্রচলিত উপায়ে বিক্রি করা কঠিন, তার অকশনের ওপরে তাঁদের মৌলিক কাজ আছে। নোবেল কমিটির জুরি জানিয়েছেন, এবছরের নোবেল প্রাপক দুই অর্থনীতিবিদ অকশন থিওরির উন্নতি করেছেন এবং নতুন অকশন ফরম্যাট আবিষ্কার করেছেন।

রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমি থেকে বলা হয়েছে, মিলগ্রোম (৭২) এবং উইলসন (৮৩)-এর আবিষ্কার বিশ্ব জুড়ে ক্রেতা, বিক্রেতা এবং করদাতাদের উপকার করেছে। পুরস্কার প্রাপকরা পাবেন ১ কোটি সুইডিশ ক্রোনর। ভারতীয় মুদ্রায় তার পরিমাণ ৮০ কোটি ৬০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। গতবছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফরাসি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত এস্থার ডাফলো এবং মার্কিন নাগরিক মাইকেন ক্রেমার।

কয়েকদিন আগেই নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি নয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে একটি সংস্থা। তার নাম ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম’। রাষ্ট্রসংঘের এই সংস্থার হাতেই ২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। ইয়েমেন থেকে শুরু করে উত্তর কোরিয়া, লাখ লাখ মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছে এই সংস্থা।

এবারের এই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩১৮টি নামের মনোনয়ন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে ২১১টি নাম ছিল ব্যক্তির ও বাকি ১০৭ টি নাম ছিল কোনও না কোনও সংস্থার। তাদের মধ্যেই ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামকে বেছে নেওয়া হয়। শুক্রবার অসলো থেকে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রিয়েস অ্যান্ডারসন এই ঘোষণা করেন। নোবেল কমিটির টুইটার অ্যাকাউন্টেও তা জানানো হয়।

এই পুরস্কার ঘোষণার সময় অ্যান্ডারসন জানান, “মানুষের ক্ষুধা মেটানোর জন্য এই সংস্থা উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি স্থাপনের জন্য এবং ক্ষুধাকে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে এই সংস্থা যে লড়াই করেছে তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে নোবেল কমিটি।”

মারণ রোগ ক্যানসার নিয়ে এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য এ বার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন গবেষক জেমস পি অ্যালিসন এবং জাপানের তোসুকু  হোনজো। ক্যানসার প্রতিরোধে কী করে মানুষের শরীরের প্রোটিন কোষগুলিই বাধা দেয় এবং কী করে এই কোষগুলিকে ভেঙে ক্যানসার প্রতিরোধ করা যায় সেই গবেষণাতেই সাফল্য পেয়েছেন এই দুই বিজ্ঞানী।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More