কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি, সফটওয়্যার ডেভেলপারকে উপহার ‘এক টুকরো চাঁদ’ !

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কঠোর পরিশ্রমই সাফল্য এনে দেয়, এ কথা কে না জানে! কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রেরণা, উদ্দীপনা লাগে। সাফল্যের যথাযথ স্বীকৃতি পেলেই না শিখর স্পর্শ করার তাগিদ আসে। কেবল টাকাই যথেষ্ট নয়, খ্যাতি-স্বীকৃতি-প্রশংসা, এগুলিও চাই। সম্প্রতি নয়ডার এ-আর স্টুডিওর এক কর্মী তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের দাম পেলেন অন্যভাবে। অসাধারণ একটি সফটওয়ার ডেভেলপ করার জন্য কোম্পানির তরফে তাঁকে উপহার দেওয়া হল ‘এক টুকরো চাঁদ’!

বিহারের দারভাঙ্গা অঞ্চলের যুবক ইফতিকার রহমানি ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। বেনিপুর থেকে স্কুলের পড়়া শেষ করে উদয়পু্রের একটি কলেজে তিনি বি টেক করেন। পড়াশুনোয় বরাবরই ভাল। পছন্দের কেরিয়ার গড়তে অসুবিধে হয়নি। নয়ডার এ-আর স্টুডিওতে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজ করেন ইফতিকার।

সম্প্রতি লুনা সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানির জন্য সফটওয়্যার বানিয়েছিলেন তিনি। লুনা সোসাইটি চাঁদের জমি বিক্রি করে। ইফতিকারের কাজে তারা এতটাই খুশি যে, শুধু পারিশ্রমিক দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি তারা। ইফতিকারকে তারা উপহার দিয়েছে এক বিঘে জমি! বলা বাহুল্য সেটি মর্ত্যের নয়, চাঁদের।

ইফতিকারের স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, তাই বলে চাঁদ ছুঁতে পারবেন, এমনটা হয়ত ভাবেননি। এই অনন্য সাধারণ উপহার পেয়ে তিনি এবং পরিবারের সকলে অভিভূত। সকলকে মিষ্টিমুখ করাতে করাতে খুশির কান্নায় আপ্লুত মা নাসরা বেগম বললেন, তিনি ছেলের জন্য অত্যন্ত গর্বিত। ইফতিকার আরও অনেক বড় হোক, এই তাঁর স্বপ্ন।

চাঁদের জমি কেনাবেচা এখন আর নতুন ঘটনা নয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ চাঁদে জমি কিনে রাখছেন ইদানীং। তবে চাঁদের জমি উপহার দেওয়ার ব্যাপারটা জনপ্রিয় হচ্ছে দ্রুত। সম্প্রতি সুরাটের এক ব্যবসায়ী চাঁদের এক খন্ড জমি উপহার দিয়ে সদ্যোজাত ছেলের মুখ দেখলেন। সত্যি সত্যি চাঁদে গিয়ে সেই জমিতে হাঁটা যাবে না কোনওদিন। কিন্তু তাতে কী! জমি কিনেছেন, সেই একটা সার্টিফিকেটের দামও তো কম নয়!

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More