শুধু প্রিয়ঙ্কা নয়, দেশে কোনও মহিলারই নিরাপত্তা নেই, সরকারকে তোপ রবার্ট বঢরার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগেই কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী সহ তাঁদের পরিবারের সকলের এসপিজি কভার তুলে নেওয়া হয়েছে। গত মাসের শেষে একটি গাড়ি চড়ে পাঁচ অপরিচিত ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলেন। মঙ্গলবার সেই ঘটনা উল্লেখ করে প্রিয়ঙ্কার স্বামী রবার্ট বঢরা ফেসবুকে লিখেছেন, এটা শুধু প্রিয়ঙ্কার নিরাপত্তার ব্যাপার নয়। আমাদের ছেলেমেয়ে বা গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তারও ব্যাপার নয়। আমাদের দেশের নাগরিকদের, বিশেষত মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই। রবার্টের মতে, সারা দেশেই নিরাপত্তার ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। মেয়েদের নিয়মিত হেনস্থা করা হচ্ছে। তারা ধর্ষিত হচ্ছে। আমরা কোন সমাজ তৈরি করছি?

১৯৯১ সাল থেকে প্রিয়ঙ্কা ও তাঁর পরিবারের সকলের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল এসপিজি-র ওপরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও এসপিজি নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সম্প্রতি প্রিয়ঙ্কাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব এসপিজি-র বদলে দেওয়া হয়েছে সিআরপিএফকে। সরকার বলেছে, এখন আর গান্ধী পরিবারের সদস্যদের জীবনের আশঙ্কা আগের মতো নেই। তাই তাঁদের নিরাপত্তায় এলিট কম্যান্ডোদের বদলে সিআরপিএফকে নিয়োগ করা হচ্ছে।

রবার্ট লিখেছেন, “প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। আমরা যদি নিজেদের দেশেই নিরাপদ না থাকি, বাড়িতে, রাস্তাঘাটে যদি নিজেদের নিরাপদ না বোধ করি, দিনের বেলায় অথবা রাতে যদি আমাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তাহলে কোথায় আমরা নিরাপদ থাকব?”

গত ২৫ নভেম্বর এক মহিলা সহ পাঁচজন গাড়ি চালিয়ে প্রিয়ঙ্কার বাড়ির চত্বরে ঢুকে পড়েন। তাঁরা সোজা বাগানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে বাড়ির দরজায় উপস্থিত হন। তাঁরা বলেন, প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য সেই উত্তরপ্রদেশ থেকে গাড়ি চালিয়ে এসেছেন। কোনও ভিজিটর আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট না করে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। কিন্তু পাঁচজন কীভাবে তাঁর বাড়ির ভিতরে চলে এলেন, সিআরপিএফ-ই বা তাঁদের আটকাল না কেন, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রিয়ঙ্কা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More