বর্ধমানে গিয়ে হাত জাল দিয়ে মাছ ধরা শিখেছিলেন উত্তম কুমার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময়টা ১৯৫৮ সাল। আজ থেকে প্রায় ষাট বছর আগের কথা। কিন্তু ওই ‘৫৮ সালের জুলাই মাসের একটি দিনকে আজও মনে রেখেছে পূর্ব বর্ধমানের নতু গ্রাম।

ভরা বর্ষার জুলাই মাসে সে সময় দামোদরের বাঁধ সংলগ্ন মুখার্জীদের জমিদার বাড়িতে এসে থামে এক পেল্লাই গাড়ি। আর গাড়ি থেকে নেমে এলেন যিনি তাঁকে দেখে তো  চক্ষু ছানাবড়া হওয়ার জোগাড়। এ যে স্বয়ং মহানায়ক উত্তম কুমার। মুখার্জীদের মেজো ছেলে কামাখ্যা মুখার্জী ছিলেন উত্তম কুমারের বিশেষ বন্ধু। তাই শ্যুটিংয়ের ব্যস্ততার ফাঁকে বন্ধুর বাড়িতে ঢুঁ মারতে গিয়েছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গে ছিলেন গৌরীদেবীও। কাটিয়েছিলেন দু’রাত। লোকমুখে শোনা যায় জমিদার বাড়ির কলপুকুরে হাত জাল দিয়ে মাছ ধরাও নাকি শিখে নিয়েছিলেন তিনি। গৌরীদেবীকে নিয়ে দামোদরে নৌকাবিহার করতেও গিয়েছিলেন।

মুখার্জীদের জমিদার বাড়ি

আজ উত্তম কুমারের ৩৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রতি বছর এই দিনে উত্তম কুমারকে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশিই মনে পড়ে নতু গ্রামের বাসিন্দাদের। জানা গিয়েছে ১৯৫৮ সালে এসে যে পালঙ্কে শুয়েছিলেন মহানায়ক আজও তা সংরক্ষণ করে চলেছেন মুখার্জী বাড়ির বংশধরেরা। জমিদার বাড়ির দেওয়ালে আজও শোভা পায় উত্তম কুমারের সঙ্গে মুখার্জ্জী পরিবারের ছবি। জন্মদিন হোক কিংবা প্রয়াণ দিবস আবেগের টানে প্রতিবছর নতুন উন্মাদনায় নতু গ্রামের বাসিন্দারা স্মরণ করেন মহানায়ককে।

মুখার্জী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উত্তম কুমার
You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More