আমার সেজকাকু মান্না দে (চতুর্থ পর্ব)

সুদেব দে

আমার পরম শ্রদ্ধেয় কাকাকে নিয়ে লিখতে বসলে কত কথা, কত স্মৃতিই যে মাথার মধ্যে ভিড় করে আসে! আমি তো তেমন প্রফেশনাল লেখক নই, তবু চেষ্টা করি সেই মুহূর্তগুলো একত্রে গেঁথে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে। কিছুদিন আগেই আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। আজ তাঁর কথা মনে পড়ছে খুব। সৌমিত্রকাকুর মতো গুণী মানুষের চলে যাওয়ায় শুধু অভিনয় জগতের নয়, সমগ্র বাঙালি সমাজের এক অপূরণীয় ক্ষতি হল। মানুষটির সঙ্গে আমারও ব্যক্তিগতভাবে আলাপ ছিল কিছুটা। কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে একাধিকবার। সেসব সুখস্মৃতি আজ ভিড় করে আসছে মনে।

আমার সেজকাকু মান্না দে’র সঙ্গে সৌমিত্র বাবুর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁরা পরস্পর পরস্পরের কাজের অনুরাগী ছিলেন। কাকাকে দেখেছি, বাড়িতে আমায় গান শেখানোর সময়, বা পারিবারিক আড্ডা চলাকালীন সৌমিত্রবাবুর প্রসঙ্গ উঠলেই বলতেন “ওইরকম ভদ্রলোক আমি খুব কম দেখেছি।” আসলে কাকা নিজেও ছিলেন নিপাট ভদ্রলোক, আর ব্যক্তিগত জীবনে শিক্ষিত মানুষদের খুব পছন্দও করতেন। অন্যদিকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যে কতখানি পরিশীলিত শিক্ষিত মানুষ ছিলেন, তা তো আমরা সবাই জানি। কাকার সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথাবার্তা বলে আমি দেখেছি কাকা শিক্ষিত লোকেদের একটা অন্য চোখে দেখতেন, সে গানের জগতের লোকই হোক, বা অন্য ফ্যাকাল্টির। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আনন্দ পেতেন সেজকাকু।

বয়সের দিক থেকে সেজকাকুর চেয়ে অনেকটাই ছোটো ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। প্রায় ১৫-১৭ বছর বয়সের ফারাক ছিল দুজনের। কিন্তু সেজকাকু বরাবর তাঁকে ‘সৌমিত্রবাবু’ বলেই ডাকতেন। আমি গানের জগতে আসার পর, আমার সঙ্গেও আলাপ হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। আমি অবশ্য তাঁকে আজীবন সৌমিত্রকাকু বলেই ডেকেছি। জানিনা কেন, আমাকে উনি খুব স্নেহের চোখে দেখতেন। এরকম একজন মানুষের স্নেহ পাওয়া আমার পরম সৌভাগ্য। ওঁর সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয়ে যেত কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে। কণ্ঠশিল্পী হিসাবে আমি দেশে বিদেশে অনেক গানের অনুষ্ঠান করেছি। এখনও করি। তেমনই কিছু অনুষ্ঠানে সৌভাগ্যক্রমে পাশে পেয়ে গেছি সৌমিত্রকাকুকেও। উনিও তখন দেশে বিদেশে অনেক আবৃত্তির অনুষ্ঠান করতেন। আর সেইসব অনুষ্ঠানের আগে পরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনিই। সেরকমই এক অনুষ্ঠানে উনি আমায় গল্পচ্ছলে বলেছিলেন, “জানো তো, আমার প্রিয় গায়ক কে! তোমার দাদু কৃষ্ণচন্দ্র দে। একজন মানুষের যে অমন ঈশ্বরপ্রদত্ত কণ্ঠ হতে পারে, তা না শুনলে বিশ্বাস করা যায় না।”

সৌমিত্রকাকু, তাঁর কোনও অফিশিয়াল সাক্ষাৎকারে দাদুর কথা বলেছেন কী না আমার জানা নেই৷ কৃষ্ণচন্দ্র দে’র নাতি বলেই হয়তো আমার সঙ্গে এ ব্যাপারে অনেক সহজে কথা বলতে পেরেছিলেন সৌমিত্রকাকু। উনি বারবার বলতেন “আমার প্রিয় গায়ক কৃষ্ণচন্দ্র দে। অমন উদাত্ত অথচ মিষ্টি কণ্ঠস্বর আমি আর শুনিনি।” এ কথা ঠিকই, আমার দাদু কৃষ্ণচন্দ্র দে’র কণ্ঠের তুলনা হয় না। উদাত্ত, এবং এতটুকু কর্কশতা ছিল না তাঁর কণ্ঠে। দাদুর কথা বলতে গিয়ে উনি সেসময়কার বেশ কিছু নাটকের কথাও উল্লেখ করেছিলেন। আপনারা তো জানেনই, আমার দাদু অন্ধ ছিলেন বটে, কিন্তু গানবাজনার পাশাপাশি সেকালে বহু বিখ্যাত নাটকে অভিনয়ও করেছিলেন তিনি। দাদুর সেই নাটক দেখার স্মৃতি ছিল সৌমিত্রকাকুর। সম্ভবত ‘সীতা’ নাটক প্রসঙ্গেই তিনি একবার বলেছিলেন, “তখন আমি অনেক ছোটো, তবু ওঁনার( কৃষ্ণচন্দ্র দে) অভিনয় আর গান শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছিলাম।” এটা সর্বজনস্বীকৃত, সবাই জানেন, তবু এ প্রসঙ্গে আরেকবার বলি, সৌমিত্রকাকুও আমায় বলেছিলেন এ কথা, কৃষ্ণচন্দ্র দে’র গানের এমন আকর্ষণ ছিল যে তার টানেই মোহিত হয়ে যেতেন শ্রোতারা। নাটক বন্ধ করে দর্শকাসন থেকে ভেসে আসত ‘এনকোর এনকোর’ ধ্বনি। দর্শকদের দাবিতে ওই গান আবারও গেয়ে শোনাতে হত আমার দাদু কৃষ্ণচন্দ্র দে’কে। এত বড় মাপের মানুষ ছিলেন আমার দাদু, কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য যে, সচক্ষে তাঁকে দেখার সুযোগ পেলাম না এ জীবনে।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হলেই সৌমিত্রকাকু আমার কাছ থেকে আমার দাদু কৃষ্ণচন্দ্র দে’র গান শুনতে চাইতেন। বলতেন, “তুমি যদি পারো, আজ ওই গানটা একটু শুনিও”… কখনও ‘ওই মহাসিন্ধুর ওপার হতে’, কখনও ‘অন্ধকারের অন্তরেতে’, এসব গান খুব প্রিয় ছিল সৌমিত্রকাকুর। ওঁর কবিতা আর আমার গান নিয়ে একটা এলবামের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল একসময়। নানা কারণে সেটা আর হয়ে ওঠেনি। আর হবেও না। এ যে আমার কী পরিতাপের বিষয়!

সৌমিত্রকাকু আর সেজকাকুর আড্ডা ,সঙ্গে আমি

কাকার প্রসঙ্গে ফিরি। ‘তিন ভুবনের পারে’ সিনেমায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের লিপে সেজকাকুর দুটি অসম্ভব বিখ্যাত গান আছে। ‘হয়তো তোমারই জন্য’ আর ‘জীবনে কী পাব না’। এই ‘জীবনে কী পাব না’ গানটা নিয়ে তাঁর কিছু ব্যক্তিগত স্মৃতি আমাকে একবার বলেছিলেন সৌমিত্রকাকু। বলেছিলেন, “গানটা শোনার পর ভেবেছিলাম কীভাবে ওয়েস্টার্ন প্যাটার্নে গানটা গেয়েছেন মান্নাদা! আমি লিপ দেব কী করে? তারপরে আমি মান্নাদাকে জিজ্ঞাসাও করেছিলাম- মান্নাদা এত শক্ত গান করেছেন, আমি লিপ দেব কী করে?” কাকা তো সবাইকেই এনকারেজ করতেন। আর সৌমিত্রবাবুকে উনি তো বরাবরই খুব সম্মান আর স্নেহের চোখে দেখতেন। এক্ষেত্রেও কাকা যথারীতি হেসে বলেছিলেন “আরেহ আপনি লিপ দিতে পারবেন না তো কে পারবে?”

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে এই গানদুটি আজও একইসঙ্গে উচ্চারিত হয়, এমনকি এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েরাও এই গানে মোহিত। আমি যদিও সিনেমার কিছু বুঝিনা, তবু বলব বাংলা সিনেমার মাইলস্টোন হয়ে আছে এই গানদুটি। বাংলা ছবিতে এমন ডান্স সিক্যুয়েন্স আর গানের মধ্যে সেই রিদমকে অটুট রাখা, কতটা কঠিন তা গানবাজনার মানুষমাত্রই বুঝবেন। এর যাবতীয় কৃতিত্ত্বের দাবিদার সুধীন দাশগুপ্ত আর আমার সেজকাকু মান্না দে। আর বড়পর্দায় তাকে কী অনবদ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন সৌমিত্রকাকু, সে তো এ ছবির দর্শকমাত্রেই জানেন।

বিভিন্ন লাইভ অনুষ্ঠানে সেজকাকুর সঙ্গে দেখা হত সৌমিত্রকাকুর। যেমন একটা অনুষ্ঠানের কথা মনে পড়ছে। কফিহাউজে সেসময় একটা অনুষ্ঠান হয়েছিল। ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান। কাকা ওই একবারই কফিহাউজে গান গেয়েছিলেন। কাকার সঙ্গে সেবার আমিও গান গাই। কিন্তু অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন নিঃসন্দেহে আমার সেজকাকু মান্না দে। সেখানে সৌমিত্রকাকুও ছিলেন। তার বহু পরে সেইদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সৌমিত্রকাকু বলেছিলেন, “মান্না দা যে কেবল একজন ভালোমানুষ, তাই নয়, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন গায়ক। এমন গায়ক ভারতবর্ষে আর জন্মেছেন কী না, আমি জানিনা। এসব বলে আমি কোনও বিতর্কে জড়াতে চাইনা। কিন্তু মান্না দা’র জীবন, মান্না দা’র কাজ আমার কাছে একটা বিরাট প্রেরণা।” ভাবুন একবার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিশাল মাপের একজন মানুষ বলছেন এ কথা। বলছেন, “মান্না দা’র জীবন, তাঁর কাজ আমার কাছে এক বিরাট প্রেরণা, যা আমাকে আজও কাজ করে যাওয়ার ইন্সপিরেশন দেয়।” এমনই পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিল মান্না দে আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের।

বা-দিক থেকে সেজকাকু,আমি, সৌমিত্রকাকু আর সুনীল গাঙ্গুলি

কাকার সঙ্গে সৌমিত্রকাকুর বেশ কিছু অসাধারণ কাজ আছে। ‘তিন ভুবনের পারে’র কথা তো কিছুক্ষণ আগেই বললাম। আর একটা লেজেন্ডারি গান মনে পড়ছে ‘প্রথম কদম ফুল’ ছায়াছবির ‘এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে’। সৌমিত্রকাকুর লিপে সেজকাকুর গাওয়া এই অনবদ্য গানটির পিছনে আরও একজনের অবদানের কথা না বললেই নয়। তিনি সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত। আবার ‘বসন্ত বিলাপ’ ছায়াছবির কথা যদি বলে, তার ‘আগুন, লেগেছে লেগেছে আগুন’ গানটিরও সুরকার ছিলেন সুধীনকাকু। এই ত্রয়ী বাংলা সিনেমাকে দিয়ে গেছে একের পর এক হিট গান, যা আজও চলচ্চিত্রপ্রেমি বাঙালির মুখে মুখে ফেরে। সুধীন দাশগুপ্তকে নিয়েও জমে আছে বহু গল্প। আমার সেজকাকুর জীবনে এই মানুষটির অবদান অনেক। সুধীনকাকুও বলে গেছিলেন মান্নাদের মতো গায়ক পেয়েছিলাম বলে আমার বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টাল সুরের গানগুলো ধন্য হয়েছে। পরবর্তী কোনও সংখ্যায় সেসব লেখা যাবে।

এই ‘আগুন লেগেছে আগুন’ গানটা গাওয়া যে কত শক্ত তা সঙ্গীতের ছাত্র যারা, তাঁরা বুঝবেন। এমন একটা গানে লিপ দেওয়াও কিন্তু বেশ কঠিন। নায়কের নাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেই সেটা সহজে সম্ভব হয়েছে। মনে পড়ছে, ‘নতুন দিনের আলো’ ছায়াছবিতে শ্রদ্ধেয় নচিকেতা ঘোষের সুরে গৌরিপ্রসন্ন মজুমদারের কথায় সেজকাকুর গান ‘রঙবেরঙের জেল্লা/ মার দিয়া হ্যায় কেল্লা/ ছেঁড়া জামায় কে দেখে আমায়/ পরেছি বাদশাহী আলখাল্লা’, এটাও সৌমিত্রকাকুর লিপে। কী অসাধারণ গান! কী অপূর্ব সুর! তারপর ‘বাবুমশাই’ ছবিতে কাকার নিজের সুরে সৌমিত্রকাকুর লিপে ‘চল যাই হাওয়া খেতে গড়ের মাঠে ফিটন চড়ে’ কী অনবদ্য গান! জানিনা কজন শুনেছেন গানটি! সব গান তো একরকমভাবে জনপ্রিয় হয়না৷ কিন্ত জনপ্রিয় নয় বলেই, সে গানের কোয়ালিটি খারাপ তা কি বলা যায়! আমার ভীষণ প্রিয় আরেকটা গান সেজকাকুর সুরে ‘শেষ পৃষ্ঠায় দেখুন’ ছবির ‘কী এমন কথা তাকে বলা গেল না’… আমি তো অভিনয়ের বিশেষ কিছু বুঝি না, কিন্তু গায়কীর দিক থেকে বলছি- সুখেন দাসের ‘প্রতিশোধ’ ছবিতে অজয় দাসের সুরে কাকার কণ্ঠে এবং অবশ্যই সৌমিত্রকাকুর লিপে ‘কী বিষে ছোবল দিবি কালনাগিনী তুই’ – এও বাংলা গানে এক মাইলস্টোন। কিংবা ‘সুদূর নীহারিকা’ ছবিতে শ্রদ্ধেয় মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের সুরে ‘কেন ডাকো মিছে পাপিয়া’ এটাও সৌমিত্রকাকুর লিপে বাংলা ছায়াছবির গানে একটা মাইলস্টোন। কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব!… ‘ইন্দিরা’ ছবির কথাও মনে পড়ছে এই সূত্রে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের লিপে মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের সুরেই ঝাঁপতালে গাওয়া ‘ঝরো ঝরো বৃষ্টিতে’ কী অসামান্য মেলোডিয়াস একটি গান।

এই গানটির রেকর্ডিংয়ে সৌভাগ্যক্রমে আমিও ছিলাম। আজ ভাবি, কত অবলীলায় এসব কঠিন কঠিন গান গেয়ে ফেলতেন সেজকাকু! আর একটা সিনেমার কথা মনে পড়ছে, ‘প্রেয়সী’। ছবিটি খুব একটা জনপ্রিয় হয়নি ঠিকই, কিন্তু ওই ছায়াছবিতেই একটা গান ছিল, সৌমিত্রকাকুর লিপে ইনটক্সিনেশনের গান, ‘আজ বুঝেছি মজনু কেন পাগল হয়েছিল’… কী দুর্দান্ত যে তার গায়কি! এখন লিখতে বসেও মনে হচ্ছে দু-কলি গেয়ে শোনাই, এত অনবদ্য এও গান।

আমার স্মৃতিতে যে’কটি গান এক্ষুনি মনে এল পরপর বললাম। আর অভিনেতা হিসাবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যে কত বড় মাপের মানুষ ছিলেন তা বলার ধৃষ্টতা আমার নেই। কাকার সঙ্গে ওঁর সম্পর্কটাও ছিল ভারি মধুর। কাকা যদিও বম্বেতে থাকতেন, কোলকাতার মানুষজনের সঙ্গে তেমন মেলামেশার সুযোগ পেতেন না। দূরে থাকলেও এই দুজনের মধ্যে বরাবর স্নেহ আর শ্রদ্ধার একটা অন্যরকম সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, যা তাঁরা আজীবন বয়ে বেরিয়েছেন।সেজকাকুর কণ্ঠে উত্তমকুমারের লিপে একের পর এক জনপ্রিয় গান আছে, তা অনেকে জানেন। তা নিয়ে চর্চাও হয় বহু। কিন্তু সৌমিত্রকাকুর লিপেও যে কত অসাধারণ গান গেয়েছেন কাকু, তা অনেকেরই অজানা। আজ তেমনই কিছু গানের কথা সৌমিত্রকাকুর স্মৃতি ধরে মনে এল। আজ উনি নেই, কিন্তু অমর হয়ে রয়েছে সেজকাকুর কণ্ঠে ওঁর লিপে গাওয়া এইসব গান।

ক্রমশ…

মেল যোগাযোগ – [email protected]

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More