মুখ্যমন্ত্রীর মতো কথায় কথায় তো ইনশাল্লাহ বলেননি আব্বাস সিদ্দিকি

শমীক লাহিড়ী

(প্রাক্তন সাংসদ ও সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য)

বিষফোঁড়া যখন হয়েছে, ব্যথা তো লাগবেই। তফসিলি জাতি-উপজাতি, আদিবাসী, ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা বিগত কয়েক বছর ধরেই ফুঁসছিলেন। তৃণমূল সরকারের বিশ্বাসঘাতকতায় আর বিজেপির দলিত ও সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণে অসন্তোষের পাহাড় জমছিল। নানা সংগঠনের ছাতার তলায় এরা ক্রমশ সংগঠিত হচ্ছিলেন। এবার, জল যখন মাথার উপর দিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, এরা সবাই মিলে একটা বড় মঞ্চ তৈরি করেছেন—ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। তার সভাপতি হয়েছেন শিমুল সোরেন আর সম্পাদক আব্বাস সিদ্দিকি। তাদের লক্ষ্য একদম পরিষ্কার—বিজেপি ঠেকাও, তৃণমূল হঠাও।

আর যেই না সেকথা বলেছে, ওমনি ব্যথা লাগতে শুরু করেছে। বাজারে বিজেপি-তৃণমূলের কিছু এজেন্ট মাস খানেক ধরে এঁদের কাছে টানার চেষ্টা করেছিল। তাতে ফল হয়নি। এখন মায়াকান্না জুড়েছেন। এঁরা কত সাম্প্রদায়িক, কীরকম জাতপাতের রাজনীতি করছেন, সেই প্রচারে মত্ত হাতির মতো আচরণ করছে এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যমও।

প্রশ্ন হল, সোরেন-সিদ্দিকির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই নতুন দল ব্রিগেড মঞ্চে কী বলেছে?

না, মুখ্যমন্ত্রীর মতো আব্বাস সিদ্দিকি কথায় কথায় ‘ইনশাল্লাহ’ বলেননি। ইমাম ভাতা বা হজযাত্রায় ভাতার দাবি তোলেননি। বলেছেন কর্মসংস্থানের কথা। প্রশ্ন করেছেন, কেন চাকরি চাইতে আসা ছাত্র-যুবদের লাঠি মারল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পুলিশ। কেন পঞ্চায়েত-পুরসভা-সরকারের টাকা লুঠ হচ্ছে? এই প্রশ্নগুলো সাম্প্রদায়িক?
কোন কথাটা সাম্প্রদায়িক? কেউ তা বলতে পারছেন না। বলছেন, কেন ফেজ টুপি? মুখ্যমন্ত্রী হিজাব টেনে ভাষণ দিতে পারেন অসুবিধা নেই, কিন্তু একজন মুসলমান কেন ধর্মীয় প্রথা মেনে ফেজ টুপি পরেছেন সেই প্রশ্ন এরা তুলছেন কী উদ্দেশে, সেটা স্পষ্ট।

তৃণমূলের মঞ্চে দাঁড়িয়ে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম প্রকাশ্যে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করলে অসুবিধা নেই, যোগী আদিত্যনাথ ঘৃণা ও খুনের রাজনীতির কথা প্রকাশ্যে বলেও বিজেপির নেতা হলে অসুবিধা নেই, গুজরাত দাঙ্গার নায়ক নরেন্দ্র মোদীকেও ভোট দেওয়া যায়, কিন্তু বেকারের চাকরির দাবি জানালেই আব্বাস সিদ্দিকি সাম্প্রদায়িক?
বাহঃ। চমৎকার যুক্তি!

মুসলমান, তফসিলি জাতি-উপজাতি, আদিবাসী মানুষ কোনও ভিক্ষা চান না, চান সংবিধান স্বীকৃত অধিকারের বাস্তবায়ন। ব্রিগেডের মঞ্চে এই কথা বলে কী সাংঘাতিক অপরাধই না করেছে সোরেন-সিদ্দিকির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আইএসএফ!
অনেক বাম সমর্থক ভাবছেন, কাজটা কি ঠিক হল! একজন ধর্মীয় নেতার দলের সঙ্গে বাম দল কেন মোর্চা করবে?
প্রথমত, ধর্মবিশ্বাস আর সাম্প্রদায়িকতা কি এক? কেবল নাস্তিকরাই কি বামপন্থী হবেন? ধর্মাচরণে ব্রতী মানুষ কি তবে ব্রাত্য বামেদের কাছে?

ধর্ম নিয়ে কার্ল মার্কসের বিখ্যাত উক্তির পুরোটা অনেকেই বলেন না, বলেন একটা অংশ—ধর্ম হল আফিম। কার্ল মার্কস ‘A Contribution to the Critique of Hegel’s Philosophy of Rights’ লেখায় উল্লেখ করেছিলেন—”ধর্ম হল শোষিতদের মর্মযাতনা, হৃদয়হীন জগতের হৃদয়, আত্মাহীন অবস্থার আত্মা। শোষিত মানুষের কাছে ধর্ম হল আফিম।”

কার্ল মার্কস এই উক্তিটির মাধ্যমে ধর্ম‌কে আফিমের সঙ্গে তুলনা ক‌রে‌ছি‌লেন। কিন্তু কেন?

এই বিষয়‌টির গভী‌রে না গি‌য়ে মোল্লা, পু‌রো‌হিত, ধর্মব্যবসায়ীদের কার্যকলাপ না বু‌ঝে কিংবা না জেনে এক‌রৈ‌খিকভা‌বে সরল মানুষগু‌লোর কা‌ছে উপস্থাপন ক‌রে সাধারণ মানুষ‌কে ক‌মিউনিস্ট-বি‌দ্বেষী গড়ে তুলতে এর প্রকৃত ব্যাখ্যা উপস্থিত করেন না কমিউনিস্ট বিরোধীরা। এমন‌কি অনেক ক‌মিউনিস্ট কর্মীও এই বিষয়‌টির স‌ঠিক মর্মার্থ উদ্ধার কর‌তে ব্যর্থ হয়ে পু‌রো বিষয়টি‌কেই গুলিয়ে ফে‌লেন।

আস‌লে মূল বিষয়‌টি হ‌চ্ছে, আজ‌কালকার ম‌তো তখনকার সম‌য়ে আফিম কোনও নেশাদ্রব্য ছিল না। তখনকার চি‌কিৎসকরা ব্যথা বা চেতনানাশক হিসা‌বে আফিমকে ব্যবহার করতেন। আর মার্কস নি‌পীড়িত, শো‌ষিত মানু‌ষের কা‌ছে ধর্ম আফিমস্বরূপ বল‌তে এটাই বোঝা‌তে চে‌য়ে‌ছি‌লেন যে, সমাজ থে‌কে প্রাপ্ত যাবতীয় দুঃখ, যন্ত্রণা, কষ্ট, অন্যায়, নির্যাতন লাঘবের চেষ্টায় যখন কোনও ব্য‌ক্তি ব্যর্থ হয়, তখন সৃ‌ষ্টিকর্তার কা‌ছে সমস্ত অন্যা‌য়ের বিচা‌রের ভার সে অর্পণ ক‌রে।

ধর্ম‌কে আশ্রয় ক‌রেই তার সকল যন্ত্রণা লাঘ‌বের চেষ্টা ক‌রে ‌কিংবা ভুলে থা‌কতে চায়। নি‌জে যখন ‘বদলা’ নি‌তে ব্যর্থ হয়, তখন সে ম‌নে ক‌রে, একদিন না এক‌দিন তার প্রতি এ অন্যা‌য়ের বিচার সৃ‌ষ্টিকর্তাই কর‌বেন। এই প্রেক্ষাপ‌টেই মার্কস উক্তিটি ক‌রে‌ছি‌লেন।

ধর্ম প্রসঙ্গে লেনিনের লেখা প্রবন্ধাবলির মধ্যে ‘সমাজতন্ত্র ও ধর্ম’ প্রবন্ধটি এই প্রশ্নে উল্লেখযোগ্য। এখানে তিনি বলছেন—“ধর্মকে ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাপার বলে ঘোষণা করা উচিত। এই উক্তিতেই সাধারণত ধর্ম সম্পর্কে সমাজতন্ত্রীদের মনোভাব স্পষ্ট হয়।… রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা ধর্মকে ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাপার বলে বিবেচনার দাবি করছি। ধর্ম নিয়ে রাষ্ট্রের কোনও গরজ থাকা চলবে না এবং ধর্মীয় সংস্থাসমূহের রাষ্ট্রের ক্ষমতার সাথে জড়িত থাকা চলবে না। যে কোনও ধর্মে বিশ্বাস অথবা কোনও ধর্মে বিশ্বাস না রাখার অধিকারে সবাই থাকবে স্বাধীন।’’

ওই প্রবন্ধেই তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেছেন—কেন কমিউনিস্ট পার্টি নিজেদের পার্টি কর্মসূচিতে নাস্তিকতাবাদ ঘোষণা করেনি এবং কেন তা উচিত নয়। স্থানাভাবে সমগ্র উদ্ধৃতি উল্লেখ করলাম না, আগ্রহী পাঠকরা সমগ্র প্রবন্ধটি পড়ে দেখতে পারেন।

এই প্রসঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে ব্রাজিলীয় ধর্মতাত্ত্বিক ফ্রেই ব্রিট্টোর একাধিক সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রকাশিত একটি বইয়ের উল্লেখ হয়তো অপ্রাসঙ্গিক হবে না। ১৯৮৫ সালে ‘ফিদেল অ্যান্ড রিলিজিয়ন’ নামে এই বইটি প্রকাশিত হয়।

কিউবার বিপ্লবের পর স্পেনের ঔপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রাখা এবং তাদের সাহায্য করার জন্য সেই দেশের চার্চের প্রধানদের বিতাড়িত করেছিল নতুন বিপ্লবী সরকার। কিন্তু ধীরে ধীরে চার্চের ভূমিকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই দেশের সমাজতান্ত্রিক সরকারও তাদের পরিবর্তিত অবস্থান ঘোষণা করে। ১৯৯২ সালে স্বঘোষিত নাস্তিকদের দেশ কিউবা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ দেশ বলে ঘোষণা করে।

‘আজকের যুগে যিশু জন্ম নিলে তিনি অবশ্যই আমাদের বিপ্লবীদের মতোই প্রচার করতেন’– একথা ফিদেল ১৯৯৮ সালে বলেছিলেন।

কমিউনিস্ট পার্টি রাষ্ট্র ও ধর্ম প্রতিষ্ঠানের পৃথক অস্তিত্বের কথাই বলে। কেউ কারও কাজে নাক গলাবে না, এটাই আধুনিক রাষ্ট্রের মূল কথা—এটাই মনে করেন কমিউনিস্টরা।

যাঁরা এতদিন কমিউনিস্টদের নাস্তিক, ধর্মবিরোধী বলে প্রচার করতেন, তাঁরাই এখন ধর্মীয় মানুষের সঙ্গে কেন কমিউনিস্টরা হাত মেলাচ্ছেন বলে গলা ফাটাচ্ছেন। সত্যি কী বিচিত্র এদের প্রচার!

আমার মা ধার্মিক ছিলেন। নিয়মিত পূজাআচ্চা ধর্মপালন করতেন। কিন্তু তাতে আমাদের বাড়িতে আসমা দিদির কাজ করতে কোনও সমস্যা হয়নি। ওর রাঁধা ভাত আমরা দিব্বি পেটপুরে খেয়েছি। আসমাদি আমাদের বাড়ির ঠাকুরঘরের সামনেই নামাজ পড়তেন, মাকে কোনওদিন আপত্তি করতে শুনিনি। আমার মা সাম্প্রদায়িক ছিলেন না, ছিলেন ধার্মিক।
আচ্ছা, ধর্মাচরণে অভ্যস্ত বা ধর্মীয় যাজকদের সঙ্গে পথ চলতে অসুবিধা কীসের, যদি তিনি স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরোধী হন?

অনেক কালের অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথেরা ধর্মপালন করেন না, ঘৃণার আগুন ছড়ান। বিজেপি স্পনসর্ড ভোগবিলাসে মত্ত ‘বাবা রামরহিম’ বা ‘আশারাম বাপু’-রা ধর্মের নামে ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামান। নরেন্দ্র মোদী ধর্মকে ব্যবহার করেন ক্ষমতা দখলের জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এর ব্যতিক্রম নন।

আর এঁদের সমর্থক বাহিনী প্রশ্ন তুলছেন—কেন পিরজাদা ব্রিগেডে? বুঝতে অসুবিধা হয় না, এই ত্রিশক্তির মিলনে বিজেপি-তৃণমূল আর এদের ক্ষমতায় রাখতে মরিয়া কর্পোরেটরা কেন থরহরিকম্প। এতদিন প্রচার চালাচ্ছিল– বিজেপি-তৃণমূলের বিকল্প কেউ নেই, তাই অপছন্দ হলেও বাঁ-হাতে মনসা পূজার মতো এই দুইয়ের কাউকে একটা ভোটটা দিয়ে দিন।
এখন প্রকৃত বিকল্প সামনে উঠে আসছে। যারা ধর্ম-জাতপাতের বদলে কাজ, শিক্ষা, গণতন্ত্র, সংবিধান স্বীকৃত অধিকারগুলোর বাস্তবায়নের দাবি করছে।

এতদিন মুসলমানদের সামান্য কিছু ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা ধরিয়েই ঠান্ডা রেখে দিব্বি এদের ভোট পকেটস্থ করতে পারছিল তৃণমূল। মুসলমানদের জুজু দেখিয়ে হিন্দুদের ভোটটাও পাচ্ছিল বিজেপি। কিন্তু ভাত-রুটি-কাজ-অধিকারের দাবি তুলে সব ঘেঁটে দিয়েছে সংযুক্ত মোর্চা। তাই দেশের লগ্নি-পুঁজির ধারক-বাহকেরা কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন, শিশু অবস্থাতেই একে হত্যা করতে।

এতদিন জাতপাত-ধর্ম দিয়ে বেশ ভুলিয়ে রাখা গেছিল সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া এই অংশকে। কিন্তু বামপন্থীরা এদের ভাত-কাপড়-কাজ-অধিকারের লড়াইতে এনেছেন। দেশের মূল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারায় সম্পৃক্ত করার চেষ্টায় নেমেছে সিপিআই (এম)। হ্যাঁ, এটাই মূল কাজ এখন বামপন্থীদের। জড়ো করো বঞ্চিত, অত্যাচারিত, লাঞ্ছিত সব মানুষকে, নিজের হক বুঝে পাওয়ার লড়াইতে।

ওরা চেয়েছিলেন– বামপন্থীরা ছুৎমার্গ দেখিয়ে এদের দূরে সরিয়ে রাখুন। ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না ছিঃ, ও যে চণ্ডালিকার ঝি– এই মন্ত্র বামপন্থীরা গেলেননি কোনওদিনই। কিন্তু বামপন্থীদের থেকে সুকৌশলে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল এই নিপীড়িত মানুষদের। যেই ওদের ছলা-কলা-কৌশল বুঝে আদিবাসী, তফসিলি জাতি-উপজাতি, সংখ্যালঘুরা নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার লড়াইয়ের সাথি হিসেবে বামপন্থীদের বেছে নিয়েছেন– তখনই শুরু হয়েছে মিথ্যার নির্মাণ।

যে সমস্ত স্বঘোষিত বামপন্থী প্রশ্ন তুলছেন, কেন ধর্মীয় নেতার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে সিপিআই (এম), তাঁরা কি ইতিহাস ভুলে গেছেন, না কি ইচ্ছে করে বলছেন না সেই অধ্যায়গুলো? সারা ভারত কৃষকসভার প্রথম সভাপতির নাম ছিল– স্বামী সহজানন্দ সরস্বতী। ১৯২১ সালে জাতীয় কংগ্রেসের এলাহাবাদ অধিবেশনে প্রথম পূর্ণ স্বরাজের দাবি তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে উত্থাপন করেছিলেন কারা? একজন মৌলানা হসরৎ মোহানী এবং অপরজন স্বামী কুমারানন্দ। এইসব ইতিহাস ওরা আলোচনা করবেন না, কারণ বকলমে তৃণমূলের হয়ে ঠিকেদারির অগ্রিম গ্রহণ করে ফেলেছেন এইসব স্বঘোষিত বামপন্থীদের অনেকেই।

তবে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে লড়াইটা হবে দীর্ঘ। লম্বা পথ। এই পথে চলতে গিয়ে অনেকেই আসবেন। সবাই যে শেষ পর্যন্ত থাকেন বা থাকতে পারবেন, তার কোনও মানে নেই। এ অনেকটা দিল্লিগামী ট্রেনের মতো। হাওড়া থেকে ওঠা সব যাত্রী দিল্লি যান না। অনেকে মাঝপথে নানা স্টেশনে নেমে যান, আবার মাঝপথেই অন্য যাত্রী ওঠেন। এই ওঠানামা চলতেই থাকে। সবাই দিল্লি পর্যন্ত যান না। এই লড়াইয়ের দীর্ঘ পথেও তাই হয়।

এখন সুবর্ণ এক সুযোগ ও অধ্যায় সৃষ্টির মুখে বাংলা। জাতপাত ও ধর্মের বেড়াজাল ভেঙে ভাত-রুটি-কাজ-অধিকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে সংযুক্ত মোর্চা। এই ঐক্য অটুট রাখার দায় যেমন নেতাদের, তেমনই কর্মী-সমর্থকদেরও। মানুষের জন্যই এই ঐক্য অটুট রাখতে হবে। ব্রিগেডের লড়াই নিয়ে পৌঁছে দিতেই হবে বাংলার পাহাড় থেকে সুন্দরবনের প্রতিটি বুথে। আগামী দুটো মাস ঐক্য আর সংগ্রামের মাস।

(মতামত সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত) 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More